হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়

শিক্ষকদের প্রশ্ন ফাঁস \ টের পেয়ে পাল্টে দিলেন প্রধান শিক্ষক \ অভিভাবকদের বিক্ষোভ

  • আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ০১ ২০১৯, ২২:০৪
  • 269 বার পঠিত
শিক্ষকদের প্রশ্ন ফাঁস \ টের পেয়ে পাল্টে দিলেন প্রধান শিক্ষক \ অভিভাবকদের বিক্ষোভ

জিয়া শাহীন \ কোচিং ব্যবসায় জড়িত বরিশাল হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবার কোচিংবাজ শিক্ষকরা পড়েছেন অভিভাবকদের বিক্ষোভের মূখে। পরীক্ষার আগে কোচিং করানো ছাত্রদের যে সাজেশন দিয়েছিলেন তা কমন না পড়ায় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। জানা গেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আগেই সাজেশনের বিষয়টি টের পেয়ে প্রশ্ন পাল্টে ফেলেন। ফলে শুধু প্রশ্নের অনুরূপ সাজেশন পড়ে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষার্থী হলে উপস্থিত হয় তারা প্রশ্ন পেয়ে বিপাকে পড়ে। বিক্ষোভ করে অভিভাবকরা। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে মিডিয়া কর্মীরা স্কুলে গিয়েও দেখতে পান শিক্ষকরা রুম আটকে কোচিং করাচ্ছেন।
স্কুলের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সিনিয়র শিক্ষক জানান, স্কুলে কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে রীতিমত কোচিং ব্যবসা খুলে বসেছেন। ছাত্র টানতে এরা প্রশ্ন আউটের মত হীনকর কাজও করেন। এমনকি ৩য় বা ৪র্থ শ্রেণীর কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সরবরাহ করে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে এবার প্রধান শিক্ষক আগেভাগেই সতর্ক ছিলেন। গতকাল ছিল গনিত পরীক্ষা। পরীক্ষার একদিন আগে তিনি ৩য় -৪র্থ শ্রেণীর সাজেশন হাতে পেয়ে চমকে উঠেন । হুবাহু প্রশ্ন। তিনি গোপনে প্রশ্ন পরিবর্তন করে ফেলেন । গতকাল পরিবর্তিত প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে এসে কোচিং করা শিক্ষার্থীরা হতবাক হয়ে পড়ে। পরীক্ষার পরপরই অভিভাবকরা বিষয়টি টের পেয়ে কোচিং করা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে। শিক্ষকরা প্রশ্ন পরিবর্তনের জন্য প্রধান শিক্ষককে দায়ি করেন। বিক্ষোভের মাঝে মিডিয়া কর্মীরা হাজির হন স্কুলে। তারা দেখতে পান এত কিছুর মধ্যেও একজন শিক্ষক রুম আটকে কোচিং করাচ্ছেন।
হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফকরুজ্জামান জানান, স্কুলে এ ধরণের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কিছু শিক্ষক কোচিং করানোর নামে যা করছেন তা রীতিমত উদ্বেগজনক। প্রতিবছরই ঘটছে এসব। কিন্তু প্রমানের অভাবে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। স্কুলের সভাপতি নির্দেশে এবার তিনি আগেভাগেই প্রস্তুত ছিলেন। একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সাজেশন পেয়ে তিনি চমকে উঠেন। হুবাহু পরীক্ষার প্রশ্ন। বিষয়টি শুধুমাত্র সভাপতিকে জানান।এরপর তার নির্দেশে তিনি নিজের হাতেই প্রশ্ন করে এক রাতে মধ্যে ছাপিয়ে আনেন। এ পরীক্ষার প্রশ্ন পেয়েই গতকাল বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। প্রধান শিক্ষক দাবি করেন তার করা প্রশ্ন সব বইয়ের মধ্য থেকেই হয়েছে। পাঠ্য বইয়ের বাইরে কিছু নেই।
স্কুলের সভাপতি বিশিষ্ট ক্রীড়াবীদ আলমগীর হোসেন আলো জানান, গুটি কয়েক শিক্ষকের কোচিং ব্যবসার কারণে স্কুলে শিক্ষার্থীরা বিপথে যাচ্ছে। এটি কোন অবস্থায় মেনে নেয়া যায় না। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রশ্ন পাল্টে ফেলার জন্য। এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিনি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।
এদিকে এ সংবাদে বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেনও বিস্ময় প্রকাশ করেন। একজন শিক্ষক হয়ে যিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে প্রশ্ন তৃুলে দেন, তার নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বিষয়টি কঠোরভাবে দেখবেন বলেও জানান।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
রাসেল বেঁচে থাকলে সেনাবাহিনীর বড় অফিসার হতো শেখ রাসেলের জন্মদিন আজহচ্ছে না পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষালালমোহনে কুকুরের কামড়ে এক সপ্তাহে ১৫ জন হাসপ‘রাসেল বেঁচে থাকলে একজন মহানুভব, দূরদর্শী ও আএবার সম্প্রচারে ফিরলো স্টার জলসাওখাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় গুরুত্বারোপ প্রগণতন্ত্রকে উদ্ধারের জন্য সকলকে ঐক্যবন্ধ হয়ে বরিশালের ভাটারখালে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ নারীবরিশালে কোরআন অবমাননা করে ফেসবুকে আপত্তিকর কক্লিন ফিড শর্ত মেনে বাংলাদেশে ফিরলো জি বাংলারান্নার এলপিজি একলাফে বাড়ল ২২৬টাকাদক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার ১৬ ঘণ্টা পর পটুয়াখালীর অপহৃত স্বেচ্ছাসেবক লী
%d bloggers like this: