ডিআইজি মিজানের স্ত্রী-ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ০৯ ২০২০, ১৮:৫৮
  • 145 বার পঠিত
ডিআইজি মিজানের স্ত্রী-ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মুদ্রাপাচার আইনের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েস অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে, আদালত আগামী ৩ মার্চ গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ এ চার্জশিট দাখিল করেন। মিজান ছাড়া চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন-ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ওরফে রত্না রহমান, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান। মাহমুদুল হাসান রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য গেলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

এ সময় মিজানকে তাৎক্ষণিক হাইকোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। গ্রেপ্তারের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়। পরদিন ডিআইজি মিজানের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছিল। নারী নির্যাতনের অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। পরে ২৫ জুন মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

অন্যদিকে, মিজানের ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ প্রশাসন। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। যদিও নারী নির্যাতন, ঘুষ প্রদান, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ নানা অপকর্মের অভিযোগে দুই বছর ধরে মিজানুরের নাম আলোচনায় এলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

২৪ জুন ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে পুলিশের কোতোয়ালি থানার এসআই মো. মাহমুদুল হাসানকে আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, মিজানুর রহমান এবং তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান বর্তমানে করাগারে রয়েছেন।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের লঞ্চ চলাচল বন্ধবাকেরগঞ্জের ওসিসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্পিরোজপুরে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মবরিশালে ভূমি ও গৃহহীন ৫৪৯টি পরিবারের মাঝে ঘর সারা দেশে ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের সিদ্ধাজুলাইয়েও খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবরিশাল বিভাগে করোনায় একদিনে ৪ জনের মৃত্যু, নতঅটো প্রমোশন পেলে অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লক্ষবাংলাদেশি পাসপোর্ট হাতে পেলেন নাইজেরিয়ান স্আরো এক মাসের লকডাউন / যুক্ত হলো যেসব নির্দেশনাবরিশালে পৌঁছেছে “সিনোভ্যাক” এর ৩৯ হাজার ৬ শত বরিশাল ওয়ালটন এস ডি এস ইলেকট্রনিক্স শো রুমে ডআমতলীতে একই স্থানে আ’লীগের দু’গ্রুপে সমাবেশ মানব জমিনের সাংবাদিক হেনস্তকারী ববির সেই ছা৭ মাস কারা‌ভো‌গের পর জা‌মিন পে‌লেন বরিশাল স
%d bloggers like this: