পটুয়াখালী‌তে মামলার বা‌দি‌কে হত্যা চেষ্টা

  • আপডেট টাইম : মে ১৫ ২০২০, ২২:২৬
  • 193 বার পঠিত
পটুয়াখালী‌তে মামলার বা‌দি‌কে হত্যা চেষ্টা

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ জমি জমা বিরোধের জেরে মারধরঘটনার মামলার বাদী হত্যার চেষ্টার এক অভিযোগ পাওয়াগেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইঊনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কাটাখালী গ্রামে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনরা জানান। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরন ও স্থানীয় এবং স্বজনদের সূত্রে জানাগেছে, বাদী আঃ জলিল হাওলাদার ছোটবিঘাই অফিসের হাটে এক িফার্নিচারের দোকান দিয়ে জীবীকা নির্বাহ করে আসছিল। এ অবস্থায় একই বাড়ির চাচাতো চাচাতো ভাই আঃ আজিজ হাওলাদার(৬০), বারেক হাওলাদার(৫০), ইদ্রিস হাওলাদার(৪০) ও তাদের ছেলে মাদকাক্ত সন্ত্রাসী লতিফ হাওলাদার(৩৫), রফিক হাওলাদার (৩০), ওয়াজ কুরুনী হাওলাদার (২৫), বেলায়েত হাওলাদার( ৩০) ও বাবু হাওলাদার (২৫) গংদের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। তারা জোর পূর্বক জলিল হাওলাদারের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করার লক্ষ্যে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও জমির ফসল ও গাছ পালা এবং ফলফলাদির ক্ষতিসাধন করে আসছে। এরা স্থানীয় শালিস বিচার মানে না। আজিজ হাওলাদার ও বারক হাওলাদার গং এবং তাদের মাস্তান সন্ত্রাসী শাদকাস্ত ছেলেরা ফার্নিচারের দোকানের সামনে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে খুন করার হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল।
ঘটনারদিন ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জলিল হাওলাদার তার দোকান বন্ধ করে বাড়িব উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে বাড়ির ঊঠানে পৌছামাত্র সেখানে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আজিজ হাওলাদার(৬০), বারেক হাওলাদার(৫০), ইদ্রিস হাওলাদার(৪০) ও তাদের ছেলে মাদকাক্ত সন্ত্রাসী লতিফ হাওলাদার(৩৫), রফিক হাওলাদার (৩০), ওয়াজ কুরুনী হাওলাদার (২৫), বেলায়েত হাওলাদার( ৩০) ও বাবু হাওলাদার (২৫) গং দেশী তৈরী ধাড়াল অস্ত্র রাম দা, বগি দা, লাঠি সোটা নিয়ে পিছন দিক থেকে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে তার কাছে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এ সময় জলিল হাওলাদারের ডাকচিৎকারে স্ত্রী সিমা আক্তার তার স্বামীকে বাঁচাতে দৌড়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে এবং তার কাপড় চোপর টানা হেছড়া করে শ্লীলতা হানি ঘটায়। স্থানীয় লোকজন আঃ জলিল হাওলাদারকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিস্ট হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় জলিল হাওলাদার নিজে বাদী হয়ে উল্লেখিত ৮ জনকে আসামী করে সদর থানায় ৪৪৮, ৩২৩,৩২৪,৩২৬,৩০৭,৩৫৪,৪২৭সহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৮। তারিখঃ ০৫.০২.২০১৮ইং। এ মামলাটি থানা পুলিশ খারিজ করলে জলিল হাওলাদার নারাজি দিয়ে মামলটি পুনুরুজ্ঝীবিত করে। এ মামলার তদন্ত অফিসার ডিবি পুলিশের এস আই মোয়াজ্জেম হোসেন চলতি মাসের ১২ মে মঙ্গলবার ঘটনাস্থল জলিল হাওলাদারের বাড়িতে গিয়ে তদন্ত শেষ করে ডিবি অফিসার চলে যাওয়ামাত্র জলিল হাওলাদারকে খুনের জন্য ভয়ভীতি দেখায় দুর্বৃত্তরা। জলিল হাওলাদার ঘর থেকে বের না হওয়ায় তাকে মারতে পারেনি। পরদিন ১৩ মে বুধবার মঙ্গলবার সকালে জলিল হাওলাদার তার দোকানে যাওয়ার জন্য নতুন বাড়ি থেকে মোটর সাইকেলের চাবি নিয়ে আসার পথে উক্ত দুর্বৃত্তরা ধাড়াল অস্ত্রনিয়ে হামলা চালিয়ে জলিল হাওলাদারকে মারধর করে ফের রক্তাক্ত জখম করে। জলিল হাওলাদারকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসলে পুলিশ আগে হাসপাতালে ভর্তি করে সুস্থ করার পরামর্শ দিলে স্বজনরা জলিল হাওলাদার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। জলিল বর্তমানে চিকিৎসারত আছেন বলে তার স্ত্রী সিমা আক্তার জাণান। স্ত্রী সিমা আক্তার জানান, তার স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে দুই দুইবার তাকে মারধর করে এবং কাপড় চোপর টানা হেচরা করে শ্লীলতা হানি ঘটায়। তিনি জানান তারস্বামীকে নিয়ে হাসপাতালে আসার পর সন্ত্রাসীরা তার নাবালক শিশু ছেলে মেয়ে মারধর করে ঘরে প্রবেশ করে ভাংচুর চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে ঘরে থাকা সকল দলিল পত্র ও কাগজ নিয়ে গেছে আজিজ হাওলাদার সন্ত্রাসীরা। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবী করেছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। #

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
টেস্ট ও ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশে আসবে ভারতনৌযান চলাচলের অনুমতির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোসাংবাদিক রোজিনার ওপর হামলা ও মামলার প্রতিবাসাংবাদিক রোজিনার রিমান্ড নাকচ, কারাগারে পাঠাস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন বয়কট সরোজিনাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা করবেন স্বামীবরিশালে ‘ফেসবুক লাইভে’ গিয়ে যুবকের আত্মহত্যকলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দবরিশালে বাসদের চাঁদাবাজি মামলার গ্রেফতার আ’পটুয়াখালীতে খালে পড়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধারবরিশালে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর মৃত্যু, পুলিশ অবশেষে ফেরি চলাচলের অনুমতিসাবধান / টাকায় করোনা ভাইরাস“অপরাধ মুক্ত সমাজ বিনির্মানে কাজ করতে চাই Rকুয়াকাটার সৈকতে ভেসে আসছে একের পর এক মৃত ডলফি
%d bloggers like this: