বাউফ‌লে সাংসদ সর্মথক‌দের সা‌থে মেয়র সমর্থক‌দের দফায় দফায় সংঘর্ষ/ যুবলীগ কমী নিহত

  • আপডেট টাইম : মে ২৪ ২০২০, ২২:০৩
  • 132 বার পঠিত
বাউফ‌লে সাংসদ সর্মথক‌দের সা‌থে মেয়র সমর্থক‌দের দফায় দফায় সংঘর্ষ/ যুবলীগ কমী নিহত

পটুয়াখালীর বাউফলে সাংসদ আ স ম ফি‌রোজ সমর্থক‌দের সা‌থে মেয়র জিয়াউল হ‌কের সমর্থক‌দের সা‌থে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় এক যুবলীগ কমী নিহত হ‌য়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ কয়েক দফায় লাঠিপেটা করে। এতে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আজ রোববার বেলা একটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বাউফল থানার পূর্ব পাশে সরকারি ডাকবাংলোর সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত তাপস (৩৪) যুবলীগের কর্মী ছিলেন। তিনি উপজেলার কালাইয়া এলাকার বদু দাসের ছেলে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের সঙ্গে বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হকের বিরোধ চলে আসছে।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ ডাকবাংলোর সামনের সড়কে করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে করণীয় বিষয়ে লেখা–সংবলিত একটি তোরণ নির্মাণ করছিলেন মেয়র পক্ষের লোকজন। বেলা একটার দিকে ওই তোরণ নির্মাণে বাধা দেন সাংসদ পক্ষের নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফারুক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মেয়র জিয়াউল। তখন দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের নেতা–কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপরে চলে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন, জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) মো. ফারুক হোসেন ও বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মেয়র জিয়াউল ও ইউপি চেয়ারম্যান ফারুককে নিয়ে থানার মধ্যে বৈঠকে বসেন।

বৈঠক চলাকালে কালাইয়া থেকে সাংসদ পক্ষের ২০-২৫ জন এসে নির্মাণাধীন তোরণের বাঁশ উপড়ে ফেলে। মেয়র পক্ষের যুবলীগ কর্মী ইব্রাহিম (৩৫) বাধা দিলে তাঁকে পেটায়। তখন ফের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ ফের লাঠিপেটা করে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে যুবলীগ কর্মী তাপস (৩৪) ও ছাত্রলীগ কর্মী ইমামকে (২৩) প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত আটটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুককে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি কেটে দেন। খুদে বার্তা দিলেও তিনি কল ধরেননি কিংবা কল করেননি।

মেয়র জিয়াউল হক বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ–সংবলিত ব্যানার দিয়ে তোরণ নির্মাণ করছিলেন। ওই তোরণ নির্মাণে বাধা দেয় ও নির্মাণসামগ্রী ভেঙে ফেলে। এ ঘটনার জন্য তিনি এবং তাঁর নেতা-কর্মীরা দায়ী নন বলে দাবি করেন তিনি।

এএসপি ফারুক হোসেন বলেন, পরিবেশ শান্ত রাখার জন্য দুই পক্ষকে নিয়ে ফের আলোচনা হবে। তবে কোনোভাবেই বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করতে দেওয়া যাবে না। কঠোরহস্তে দমন করা হবে। ইউএনও জাকির হোসেনও একই কথা বলেন।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
বাউফলে ডায়রিয়ায় ২ জনের মৃত্যু‘দেরিতে হলেও এ বছর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হকরোনাভাইরাসের টিকার নিবন্ধন বন্ধবরিশালে ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটকঝালকাঠিতে ট্রলির সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখপৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু!চরফ্যাসনে বজ্রপাতে কৃষক নিহতচরফ্যাসনে জোড়া খুন, ২ ভাড়াটে খুনি চট্রগ্রাম থচরমোনাইয়ে ভয়াবহ আগুনে বসতঘরে পুড়ে মারা গেল পবরগুনায় অপহৃত স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বাঁধা অবসবরগুনায় ইউএনও-এসিল্যান্ডকে হুমকি দিলেন ইউপি চরফ্যাশনে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যুবরিশালে নির্যাতনের শিকার বিএনপি নেতাকর্মীর গৌরনদীর বেঁদে পল্লী থেকে ১৬ জন গ্রেপ্তারলকডাউন বাড়লো ১৬ মে পর্যন্ত
%d bloggers like this: