শেবাচিম হাসপাতালে করোনা করোনা ইউনিটে আরও ৬ রোগীর মৃত্যু

  • আপডেট টাইম : জুন ২৯ ২০২০, ১৭:৫৮
  • 57 বার পঠিত
শেবাচিম হাসপাতালে করোনা করোনা ইউনিটে আরও ৬ রোগীর মৃত্যু

২৪ ঘন্টায় আরও ৬ রোগির মৃত্যু হল শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এ ইউনিটে উপসর্গ ও আক্তান্ত ৯৪জন রোগির মৃত্যু হল। মৃতদের একজন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। বাকি ৫জনের দেহে করোনা উপসর্গ ছিল। হাসপাতালের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের মৃত্যু হয়। এনিয়ে গত ২৮ মার্চ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত এ নিয়ে এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ৯৪ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে ৩৪ জন কোভিড-১৯ রোগী ছিলেন। বাকি ৬০ জন মারা যান উপসর্গ নিয়ে।
হাসপাতালের ওই সূত্র জানায়- মারা যাওয়াদের চারজনই নারী। এবং ৬জনের মধ্যে একজন কোভিড পজিটিভ ছিলেন। বাকি পাঁচজনের তিনজনের ফলাফল নেগেটিভ, দুজনের অপেক্ষমাণ আছে। তথ্যের সত্যতা হাসপাতালের পরিচালক মো. বাকির হোসেন সময়ের আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
করোনা ওয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে- রোববার সকাল ৮টার দিকে মারা যান এক নারী (৪০)। বাকেরগঞ্জ উপজেলার ওই নারী করোনার উপসর্গ নিয়ে ২৫ জুন এই হাসপাতালের করোনার ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। শনিবার সকালে তিনি মারা যান। এর আগে তাঁর নমুনা পরীক্ষার ফলাফল করোনা নেগেটিভ আসে।
একইদিন সকাল পৌঁনে ১০টার দিকে প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যান আরেক এক নারী (৬০)। বরিশাল নগরীর বাসিন্দা এই বৃদ্ধা করোনার উপসর্গ নিয়ে ২৬ জুন বিকেল সাড়ে চারটায় এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তির পর তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলেও ফলাফল এখনও আসেনি।
এর কিছুক্ষণ পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মারা যান আরেক নারী (৪৪)। তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন। বরিশাল নগরের এই বাসিন্দা ২৫ জুন সন্ধ্যা পৌঁনে সাতটায় এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
এর আগে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এই হাসপাতালে মারা যান এক যুবক (৩৫)। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওই ব্যক্তি ২৫ জুন উপসর্গ নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তির পর নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা নেগেটিভ ফল আসে। পরে রাত ১০টার দিকে মারা যান বরিশালের বাকেরগঞ্জের এক বৃদ্ধ (৭০)। তিনি ১৮ জুন এই হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। তার নমুনা পরীক্ষার ফলাফলের করোনা নেগেটিভ আসে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় এক বৃদ্ধা (৬২) মারা যান। তিনি পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলা শহরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ১৯ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
রোগী মৃত্যুর বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক মো. বাকির হোসেন বলেন, শেবাচিমে যেসব রোগী মারা যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে অধিকাংশই সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় আসছে। ফলে তাদের অক্সিজেন দেওয়া হলেও ফুসফুস আর সক্রিয় না হওয়ায় পরিশেষে মৃত্যু হচ্ছে। তবে তুলনামুলক মৃত্যুর হার শেবাচিম হাসপাতালে কম, মন্তব্য করেন তিনি।’

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
গলাচিপায় গরু চুরির গুজব রটিয়ে গণপিটুনি, ৭০ জনজাতীয় দলে ফিরলেন ফিনল্যান্ড প্রবাসী কিংস ডিফখালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ঝালকাঠিতে ট্রলির সাথে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরবরিশালে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়বরিশালের পোশাক বাজারে উপচে পরা ভিড়কলাপাড়ায় আনসার ব্যাটালিয়ান ও স্থানীয়দের সাথবরগুনায় ঘুষখোর প্রকৌশলীকে প্রকাশ্যে পেটালেবিদেশে পাঠানো হচ্ছে খালেদাকে!ছাদে বিষ্ঠাত্যাগ করায় বিষ খাইয়ে মারা হলো ২২ কগলাচিপায় বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যুবরিশাল নগরীতে অস্ত্রসহ কিশোর সন্ত্রাসী আটকবাউফলে ডায়রিয়ায় ২ জনের মৃত্যু‘দেরিতে হলেও এ বছর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হকরোনাভাইরাসের টিকার নিবন্ধন বন্ধ
%d bloggers like this: