পটুয়াখালীতে ৮০ দিন পর অপহৃত ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী উদ্ধার॥ আসামী অধরা

  • আপডেট টাইম : আগস্ট ১৬ ২০২০, ১৭:৫৬
  • 146 বার পঠিত
পটুয়াখালীতে ৮০ দিন পর অপহৃত ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী উদ্ধার॥ আসামী অধরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীতে অপহরনের ৮০ দিন পর অপহৃত ভিকটিম ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী রুমা আক্তারকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে অপহরনকারী ধর্ষকসহ অপহরন মামলার আসামীরা। পটুয়াখালী সদর থানার এসআই শামীম আহমেদ জানান, ১৬ আগস্ট সকালে পটুয়াখালী শহরের বড় চৌরাস্তা থেকে ভিকটিম রুমা আক্তারকে উদ্ধার করে মেডিকেল টেস্ট শেষে কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে। আসামীদের ধরার চেষ্টা অব্যাহত আছে। বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ আমিরুল ইসলাম ভিকটিম রুমা আক্তারের জবান বন্দী নিয়ে সেভ হোমে পাঠিয়েছে বলে ভিকটিমের স্বজনরা জানান।

পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে দায়ের করা মামলা সূত্রে জানাগেছে, সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের তেলিখালী গ্রামের দিনমজুর কাঞ্চন আকনের মেয়ে গুলবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী রুমা
আক্তারকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে প্রতিবেশী স্ত্রী হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত মজিদ শরীফের বখাটে, নেশাখোর জলসার ওরফে জুলু শরীফ (৩০) বিবাহের প্রলোভ দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় ১৮.০৫.২০ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে তেলিখালী গ্রামের আপ্তের আকনের পরিত্যক্ত বসত ঘরের পূর্বপাশ কুঠার কুড়ের আড়ালে নিয়ে জোর পূর্বক
ধর্ষন করে। এ সময় ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌছলে লম্ফট জুলু শরীফ পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বজনরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে থানা পুলিশের সহায়তায় পরদিন ১৯.০৫.২০ইং তারিখ ভিকটিমের মা মিনারা বেগম বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় জলসার ওরফে জুলু শরীফকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৯। এ মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষন মামলা থেকে রক্ষার জন্য জলসার ওরফে
জুলু শরীফ তার নিকট আত্মীয় জয়নাল শরীফ (৫০), কাওসার শরীফ ওরফে কালু (৩০), শানু শরীফ ও আনছার(৩২)গংদের পরামর্শে ও নির্দেশে ২৬.০৫.২০ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর আড়াইটার সময় মা মিনারা বেগম তার মেয়েকে রুমাকে নিয়ে গোসলের জন্য তেলিখালী খালে যাওয়ার পথে কাওসারের বসত ঘরের পূর্বপাশে পৌছলে কাওসারের ঘরে ওৎ পেতে থাকা লম্ফট জুলু শরীফ ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে কাওসারগংদের সহায়তায় মটর সাইকেলে তুলে অজ্ঞাত চালক দ্বারা নিয়ে যায়। এ সময় অপর একটি মটর সাইকেলে কাওসার ও আনছার পিছনে পিছনে যায়। এ অপহরন ঘটনার পরদিন ২৭.০৫.২০ইং তারিখ ভিকটিমের বাবা কাঞ্চন আলী আকন সদর থানায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের আসামী করে একটি অপহরন মামলা করেন। এ মামলার প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও ভিকটিম রুমাকে উদ্ধার এবং কোন আসামী গ্রেফতার করতে না পারায় রুমার বাবা কাঞ্চন আলী ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইবুনালে ২৬.৭.২০ইং তারিখ অভিযোগ পেশ করলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য নির্দেশ দেন সদর থানার ওসিকে। স্বজনদের অভিযোগ পুলিশ অজ্ঞাত কারনে আসামীদের গ্রেফতার করছে না। আসামীরা
এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। আসামীরা যেদিন এলাকায় থাকে না, সেদিন পুলিশ এসে দেখানোর কর্তব্য করে যান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম আহমেদ বলেন, বাদী পক্ষের অভিযোগ মিথ্যা ।
আসামীদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
বরিশালে ‘ফেসবুক লাইভে’ গিয়ে যুবকের আত্মহত্যকলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দবরিশালে বাসদের চাঁদাবাজি মামলার গ্রেফতার আ’পটুয়াখালীতে খালে পড়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধারবরিশালে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর মৃত্যু, পুলিশ অবশেষে ফেরি চলাচলের অনুমতিসাবধান / টাকায় করোনা ভাইরাস“অপরাধ মুক্ত সমাজ বিনির্মানে কাজ করতে চাই Rকুয়াকাটার সৈকতে ভেসে আসছে একের পর এক মৃত ডলফিহেফাজতের তাণ্ডব: সরাইল থানার ওসি নাজমুলকে বরউজিরপুরের শিকারপুর খেয়াঘাট তো নয় যেন মরন ফাদ !ঈদের আগেই কল্যঅন ট্রাস্টের টাকা পাচ্ছেন অবসরভরণপোষন চাওয়ায় বৃদ্ধ বাবাকে পিটিয়ে দুই হাত ভখালেদার বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি মেলেনিআস‌ছে ক‌রোনার ৩য় ঢেউ/ প‌রি‌স্থি‌তি হ‌তে পা‌
%d bloggers like this: