সরকারী স্কুলে এমসিকিউতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাব

  • আপডেট টাইম : নভেম্বর ০৯ ২০২০, ০৬:৪১
  • 9 বার পঠিত
সরকারী স্কুলে এমসিকিউতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাব

কোভিড পরিস্থিতিতে আগামী বছর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে সময় কমিয়ে অনলাইনে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে এ প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
২০২১ শিক্ষাবর্ষে রাজধানীর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে কোন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে সে বিষয়টি নির্ধারণ করতে গত ২৭ অক্টোবর মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে রাজধানীর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের নিয়ে এক ভার্চুয়াল সভা হয়। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা ভর্তি পরীক্ষাসহ বেশকিছু পরামর্শ দেন। তার ভিত্তিতে নতুন করে চারটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে মাউশি।
প্রস্তাবনায় দেখা গেছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে রাজধানীর সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে তিনটি ক্লাস্টারে (ক, খ, গ) বিভক্ত করে প্রতিটিতে তিনদিন করে মোট ৯টি পরীক্ষা গ্রহণে প্রস্তাব করা হয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে সশরীরে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে সময় কমিয়ে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা, সব শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তঃজেলা/উপজেলায় বদলির কারণে নতুন কর্মস্থলের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা উপপরিচালক অথবা যে জেলায় উপপরিচালক নেই সেখানে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রত্যায়নক্রমে তাদের সন্তানের ভর্তির জন্য মোট আসনের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত সংরক্ষিত থাকবে। এ ক্ষেত্রে আগে আবেদন করলে আগে ভর্তির সুযোগ পাবে। এটি কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশোধিত ২০২০ ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শ্রেণির ভর্তির পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ পূর্ণমান নম্বর নির্ধারণ করে এক ঘণ্টা এবং চতুর্থ থেকে অষ্টম পূর্ণমান-১০০ নম্বরের মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হলে এ সময় কমিয়ে আনা হবে।
মাউশি থেকে জানা গেছে, প্রতি বছর রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১০ হাজারের বেশি শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এসব আসনে ভর্তির জন্য প্রায় এক লাখের মতো আবেদন জমা হয়। প্রতি আসনে পাঁচ-ছয়জন শিক্ষার্থীকে প্রতিযোগিতা করতে হয়। এ কারণে ভর্তির সময় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের বড় সমাগম হয়। এবার করোনা পরিস্থিতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এক ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ভর্তি নীতিমালা ২০২০ অনুযায়ী, এবারও আগের মতো রাজধানীর ৪১টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তিনটি ক্লাস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তবে আগে প্রতিটি ক্লাস্টারে একটি বিদ্যালয়ে আবেদন করার সুযোগ দেয়া হলেও এবার প্রতিটিতে পাঁচটি করে মোট ১৫টি বিদ্যালয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি আবেদন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে।
মাউশির পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, ‘আগামী বছর শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর বিষয়ে একটি পূর্ব প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের মতামত চাওয়া হয়েছে। তার ভিত্তিতে আমরা একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত করা হলে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে। জাগো নিউজ

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
রানের পাহাড় টপকাতে পারল না ভারতকলাপাড়ায় দুই বনদস্যু আটকপটুয়াখালীর ডাবলুগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুউজিরপুর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার একক কান্ডারী কলাপাড়ায় পৌর কাউন্সিলর হিসেবে দোয়া চেয়ে প্রচফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতিমানুষকে আল্লাহর সাথে পরিচয় করানোর জন্যই চরমোরাজাপুরে যুবকের রক্ত মাখা লাশ উদ্ধারপটুয়াখালীতে বিদেশি মদসহ যুবক গ্রেফতারআবারও ভয়ঙ্কর হতে শুরু করছে মহামারি করোনাম্যারাডোনার মৃত্যু ঘিরে রহস্য, তদন্ত দাবি আইবরেণ্য অভিনেতা আলী যাকের আর নেইপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও অনলাইজন্মদিন পালন করতে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে খুন!৬ মাস পর অধ্যক্ষ পেলো বিএম কলেজ
%d bloggers like this: