এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতিতে আসছে যে পরিবর্তন

  • আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ০৮ ২০১৯, ১০:২৭
  • 162 বার পঠিত
এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতিতে আসছে যে পরিবর্তন

চলতি বছরের শুরুতে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩১ হাজারের বেশি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের প্রার্থী সুপারিশ করে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। কিন্তু প্রতিষ্ঠান প্রধানরা এসব পদের ভুল তথ্য দেয়ায় নিয়োগ সুপারিশ পেয়ে যোগদান করেও এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না অনেক প্রার্থী।
ফলে পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগে এই জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে এনটিআরসিএ। শূন্যপদের ভুল তথ্যের ভোগান্তিতে রুখতে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেনবলেন, শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ই-রেজিস্ট্রেশন চলছে। কয়েকজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের তথ্য হালনাগাদকরণ এখনো বাকি আছে। তাদের তথ্য হালনাগাদ করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। শিগগিরই ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
গত শিক্ষক নিয়োগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য আসায় অনেক প্রার্থী ভোগান্তিতে পরেছেন। এ বিষয়ে এনটিআরসিএ কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চাইলে এস এম আশফাক হুসেন জানান, ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগে মহিলা কোটা কম্পিউটার নির্ধারণ করতো। এ নিয়ে অনেক প্রার্থী জটিলতায় পরেছেন। তাই, এ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সুস্পষ্টভাবে শূন্যপদটি মহিলা কোটা বা মেধাভিত্তিক সে বিষয়টি প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ঘোষণা করবেন। এছাড়া এ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সুস্পষ্টভাবে শূন্য পদের তথ্য দিতে পারবেন। ভুল তথ্যে যাতে কেউ ভোগান্তিতে না পরে সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরও জানান, আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দেয়া তথ্য তদারকির দায়িত্ব ছিল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের। কিন্তু যখন পদগুলোতে প্রার্থী সুপারিশ করা হয় ও ভুল তথ্যের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয় তখন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন এ তথ্য তারা পাঠাননি। এ জটিলতা নিরসনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নয় জেলা শিক্ষ কর্মকর্তাদের শূন্যপদের তথ্য তদারকির দায়িত্ব দেয়া হবে।
‘এছাড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শুধু সফটওয়ারেই তথ্য পাঠাবেন তা নয়। একই সাথে রিপোর্ট আকারে এসব তথ্য আনা হবে। যাতে কর্মকর্তারা অস্বীকার না করতে পারেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা স্বাক্ষর করে রিপোর্ট পাঠাবেন যাতে পরে জটিলতা সৃষ্টি না হয়।’ যোগ করেন এস এম আশফাক হুসেন।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান জানান, শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া পরিচালনায় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিস্তারিত করণীয় উল্লেখ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। ওয়েবসাইটে প্রদর্শিতব্য এ নির্দেশিকায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানদের করণীয় উল্লেখ থাকবে। বাংলাদেশ জার্নাল

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে বার্সা-রিয়ালসহ ১২টি লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশউজিরপুরে সাতলার পটিবাড়ি ৯০০ বিঘা জমিতে মাৎস্দুমকিতে ডায়রিয়ায় শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যুঅনলাইন প্রেসক্লাব বরিশাল’র কমিটি ঘোষণা, সভাপ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১০২ জনের মৃত্যুবরিশালে বসছে দুই শতাধিক সিসি ক্যামেরামাওলানা মামুনুল হক গ্রেপ্তারবাউফলে স্বামীর চোখ তুলে নিলো স্ত্রী ও তার প্রপুরো পরিবারসহ করোনায় আক্রান্ত প্রখ্যাত চিকিলকডাউনে কাজ না পেয়ে রাঙাবালীতে দিনমজুরের গলাজানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে সমাহিত হবেন কবরীসুদের তিনগুণ টাকা-জমি দিয়েও প্রাণ গেল স্ত্রীটিকার তৃতীয় ডোজও নেয়া লাগতে পারেএকদিনে ১০১ জনের মৃত্যুতে নয়া রেকর্ড
%d bloggers like this: