সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা । ১০ জনের ফাঁসি

  • আপডেট টাইম : জানুয়ারি ২০ ২০২০, ১৩:১২
  • 108 বার পঠিত
সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা । ১০ জনের ফাঁসি

রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ১০  জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ ঢাকার অতিরিক্ত তৃতীয় মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া দুজনকে খালাস দেয়া হয়েছে ।

দণ্ডপাপ্ত আসামিরা হলেন  মুফতি মাঈনুদ্দিন শেখ, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, আরিফ হাসান সুমন, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুস্তাকিম, আনিসুল মুরসালিন, মুফতি আবদুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম।

খালাস পাওয়া দুজন হলেন, মশিউর রহমান ও রফিকুল ইসলাম মেরাজ।

১৯ বছর আগে ২০০১ সালে ২০ শে জানুয়ারি সিপিবির সমাবেশে ওই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত ১লা ডিসেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত তৃতীয় মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২০শে জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। এ মামলায় ৪৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের ২০শে জানুয়ারি ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে সিপিবির সমাবেশে ঘটনাস্থলেই নিহত হন দলটির নেতা হিমাংশু মণ্ডল, আবদুল মজিদ, আবুল হাশেম ও মুক্তার হোসেন। আহত হন ২০ জন। আহত হওয়ার ১৩দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বিপ্রসাদ।

হামলার ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান বাদী হয়ে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় এ মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট (আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন) দেয় পুলিশ। এরপর ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও ২০০৫ সালের আগস্টে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা হয়। এসব ঘটনায় জঙ্গিরা জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়ার পর ফের এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। সাত কর্মকর্তার হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পান পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মৃণাল কান্তি। তদন্তকালে তিনি আসামি মুফতি মাঈনুদ্দিন শেখকে গ্রেপ্তার করেন।

মাঈনুদ্দিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানায়, এ ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত হরকাতুল জিহাদ (হুজি) জড়িত। অন্যদিকে আসামি মুফতি আবদুল হান্নান ২০০৬ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানান, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনায় তার দল হুজি জড়িত। দীর্ঘ পুনঃতদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৬শে নভেম্বর ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এরপর হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২১শে আগস্ট ও বিস্ফোরক মামলায় ৪ঠা সেপ্টেম্বর ওই ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত। এরপর শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। হত্যা মামলায় মোট ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- জঙ্গিনেতা মুফতি আবদুল হান্নান, মুফতি মাঈনুদ্দিন শেখ, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা মশিউর রহমান, আবদুল হাই, শফিকুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, নুরুল ইসলাম, মহিবুল মুস্তাকিম, আনিসুল মুরসালিন ও রফিকুল ইসলাম। আসামিদের মধ্যে জঙ্গিনেতা মুফতি আবদুল হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এছাড়া শেষের সাতজন পলাতক ও বাকি পাঁচজন কারাগারে আছে। কারাগারে থাকা পাঁচ আসামির সবাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
সততার পুরুস্কার পে‌লেন ব‌রিশাল জেলা শিক্ষা অরাসেল বেঁচে থাকলে সেনাবাহিনীর বড় অফিসার হতো শেখ রাসেলের জন্মদিন আজহচ্ছে না পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষালালমোহনে কুকুরের কামড়ে এক সপ্তাহে ১৫ জন হাসপ‘রাসেল বেঁচে থাকলে একজন মহানুভব, দূরদর্শী ও আএবার সম্প্রচারে ফিরলো স্টার জলসাওখাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় গুরুত্বারোপ প্রগণতন্ত্রকে উদ্ধারের জন্য সকলকে ঐক্যবন্ধ হয়ে বরিশালের ভাটারখালে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ নারীবরিশালে কোরআন অবমাননা করে ফেসবুকে আপত্তিকর কক্লিন ফিড শর্ত মেনে বাংলাদেশে ফিরলো জি বাংলারান্নার এলপিজি একলাফে বাড়ল ২২৬টাকাদক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার
%d bloggers like this: