বরিশালের জ্বীন ছারানোর নামে মানসিক রোগীকে   হত্যা, ভূয়া ফকিরসহ ৩ জন গ্রেফতার

  • আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ০৪ ২০২০, ২১:৪৯
  • 724 বার পঠিত
বরিশালের জ্বীন ছারানোর নামে মানসিক রোগীকে   হত্যা, ভূয়া ফকিরসহ ৩ জন গ্রেফতার
সংবাদটি শেয়ার করুন....

শামীম আহমেদ ॥ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার আউলিয়াপুরে চিকিৎসার নামে কালাম মৃধা(৪২) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করা হয় এবং ঘটনার পর থেকেই মূল
আসামীসহ অন্য আসামী পলাতক ছিল।

আসামী রিয়াজউদ্দিন ফকির তার স্ত্রী ও ছেলেসহ বরিশালের রূপাতলী এলাকায় অবস্থান করছে।
তারপর র‌্যাবের অভিযান করে ৪ ফেব্রয়ারী সকাল ১১.৩০ সময় রূপাতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফকির(৪৮), পিতাঃ মৃত কাঞ্চন আলী ফকির, ২) মোছাঃ তাসলিমা আক্তার লাকী(৪২), স্বামীঃ মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফকির, ৩) মোঃ তৗহিদুর রহমান(১৮), পিতাঃ মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফকির, সর্ব সাং আউলিয়াপুর, থানাঃ বাকেরগঞ্জ, জেলাঃ বরিশাল বলে জানায়। আকটকৃত তিন জনই
প্রাথমিক ভাবে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা যায়, কালাম মৃধার স্ত্রী শুক্রবারে সকালে দুই দেবরকে সাথে নিয়ে রিয়াজ ফকিরের বাড়ীতে যায়। রিয়াজ ফকির তাহার চাচাতো ভাই অসীম ফকির সহ ৪/৫ মিলে সকালে ও বিকালে কালাম মৃধাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও বাড়ীর পুকুরে চুবায়। এতে কালাম মৃধা অসুস্তহয়ে পড়লে তাকে মাজার সংলগ্ন একটি রুমে রাখা হয়।

কালাম মৃধা সন্ধ্যায় মারা যাওয়ার পর হত্যাকারীরা তাহার লাশ বাড়ীর পাশে বাগানে ফেলে রাখে। আসামীর দাদা মৃত ফকির আঃ রহমান মুন্সী কালুসা দেওয়ান মাদ্রাসার শিক্ষকতা করতেন এবং মুন্সী পদবী গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি ফরিদপুরের দত্তপাড়ায় মোহনসা দেওয়ানের মুরিদ হয়ে এলাকায় এসে দরগাহ/খানকাহ খোলেন।

তার মূত্যুর পর আসামীর চাচা সাম দেওয়ান উক্ত পীরদানী চালিয়ে যান এবং নাম দেন দেওয়ান মাজার যা বরিশালের কাউনিয়াতে অবস্থিত। সাম দেওয়ান মারা যাওয়ার পর তার ছেলে খোকন দেওয়ান পীরদানী চালু রাখেন। খোকন দেওয়ান মারা যাওয়ার পর ৪/৫ বছর ধরে বাকেরগঞ্জের আওলিয়াপুরে আসামী পীরদানী ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

মৃত কালাম মৃধা মানসিক রোগে ভুগছিলেন।
গত ৩১ জানুয়ারি শুক্রবারে কামালের চিকিৎসা শুরু করেন। চিকিৎসার নামে রোগীকে রিয়াজ উদ্দিনের হুকুমে প্রচন্ড মারধোর করে এবং পুকুরে ঠান্ডা পানিতে ১০১ বার চুবায়। ফলে রোগী মারা যায়। আসামী ফকির ব্যবসার মাধ্যমে রোগীদের ভূয়া চিকিৎসা দেয় এবং তাদের কাছ থেকে টাকা, ছাগল, গরু, চাল,মুরগী ইত্যাদি জিনিস গ্রহণ করে
থাকে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
বিশ্বকাপে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে অনন্য কীর্রিকশাওয়ালা-দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধআগামীতে কোনো প্রকল্পে ‘শেখ হাসিনা’ নাম না রাববি শিক্ষার্থীরা একদিন সারা দেশের নেতৃত্ব দেনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় আজিজ মোহাম্মদসারা বিশ্বে এমআর-৯, মুক্তি পাবে চীনেওভোলায় মেঘনার চরের দখল নিয়ে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষধান কাটার মৌসুমের কারণে ভোট কম পড়েছে: সিইসিফিলিস্তিনিদের দুর্দশা কমাতে দরকার মুসলিম দেছুরি-ব্লেড দিয়ে নিজেই অপারেশন করতেন মিল্টনপ্রয়োজনে শুক্রবারও ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রীজনগণের আস্থাহীন সেনাবাহিনী রণাঙ্গণে জয়ী হতে শিক্ষকের বেতন ও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কউত্তাল নথুল্লাবাদআনারস ও মটর সাইকেল প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্
%d