আমরা সচেতন হব কবে

  • আপডেট টাইম : মার্চ ১৯ ২০২০, ২১:৪৪
  • 86 বার পঠিত
আমরা সচেতন হব কবে

জিয়া শাহীন \ আর কবে সচেতন হব? বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করেছে করোনা। বাংলাদেশ হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিন টিভি, পত্র পত্রিকা গাঁ শিউরে ওঠার সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে। উন্নত দেশে শতশত মানুষ প্রতিদিন মারা যাচ্ছে। আর আমাদেরমত দেশে সবে শুরু হয়েছে। ছড়িয়ে পড়ছে দ্রæত। সরকারও দ্রæত ব্যবস্থা নিচ্ছে যাতে করোনা না ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এমনকি ওয়াজ মাহফিল, সভা সমাবেশ, সব ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানও। স্কুল কলেজ বন্ধ করে বাচ্চাদের ঘরে রাখার নির্দেশ ফলাও করে প্রচার হচ্ছে সব গন মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নিজে বারবার বলছেন সন্তানদের ঘরে আটকে রাখতে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। গতকাল বরিশালের সবগুলো খেলার মাঠে ছিল উপছে পড়া ভিড়। আউটার স্টেডিয়াম, বঙ্গবন্ধু উদ্যান, সরকারী বিএম কলেজ মাঠ, সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, বিএম স্কুলের মাঠে দল বেধে খেলছে ছেলেরা। বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বয়স্করাও বাদ যায়নি। সংঘবদ্ধভাবে হাটার ব্যায়াম চলছে একদিকে, অন্যদিকে মাঠের মাঝে বসে চলছে আড্ডা। করোনা এদের ভাবনায় আছে বলে মনে হয়না। কে এদের সচেতন করবে? শুধু সাধারণ পাবলিক বা শিশুদের দোষ দিয়ে লাভ কি? সচেতন হতে হবে ইমাম/ শিক্ষকদেরও। ১৮ মার্চ রাতে একটি জানাজায় কয়েকশত মানুষের সমাগম ঘটে বিএম স্কুল চত্তরে। সেখানে ইমাম সাহেব দ্রæত জানাজা শেষ না করে চালিয়ে যান দীর্ঘ ইসলামী বক্তৃতা। এই জানাজায় এক শিশুকে দেখা গেছে বেদম কাশতে। জানাজায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এমজি ভ‚লু শেষ পর্যন্ত ঐ শিশুটিকে বাইরে বের করে দেন। এ শিশুটির পিতামাতার কোন ধারণা কি আছে তার শিশুটির কি হতে পারে? কারও মনে নেই করোনা নিয়ে সচেতনতা। তবে ভোররাতে এদেরকেই দেখা যায় থানকুনি পাতার জন্য ছুটতে, আবার লাইন দিয়ে অতিরিক্ত চাল কিনতে। ঘরের শিশুটিকে বা নিজেকে আটকে না রাখলে পুরো পরিবার এমনকি সমাজও বিপদে পড়তে যাচ্ছে সে আশংকাটুকু এখনও সৃষ্টি হয়নি। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে কি সব সময় সচেতনতা সৃষ্টি সম্ভব? নিজে না হলে? ভয়াবহ বিপদ ধেয়ে আসছে তা আমরা কেন বুঝতে পারছি না? চিকি]সা করবে কে? যার কোন ঔষধ বের হয়নি সেই রোগ মহামারি আকার ধারণ করছে। চিকিৎসকরাও ঘরে চিকিৎসা বন্ধ করে ঘরে উঠতে শুরু করেছেন। এমন অবস্থায় সচেতনাই পারে আমাদের বাঁচাতে। আসলে নিজের পরিবারের বিপদ না হলে বিপদ কি তা অনুধাবন করা বোধহয় সম্ভব না। আর নিজের পরিবারের বিপদ আমরা নিজেরাই ডেকে আনছি। এখনই সচেতন না হলে সামনে ভয়ংকর দিন সমাগত- এটি নিজে বুঝতে হবে, অপরকেও বোঝাতে হবে। এখনই সময় সন্তানদের ঘরে আটকে রাখার। সন্তানের লাশ বহন পিতার কাছে কতটা ভারি- তা যে বহন না করেছে সে বুঝবে না। আবার পরিবারের সক্ষম মানুষটি হারানো ভয়াবহতা পরিবারকে ছাড়খার করে দেয় তা কি কাউকে শিখাতে হয়? তবে সচেতনতা শিখতে হবে। এবং তা এখনিই।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
পায়রা বন্দরে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের কলাপাড়ায় বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে এক শির্গলাচিপায় কাঁকড়া চাষে সফল চাষিরাগলাচিপায় সুশীলন এমার্জেন্সি নিউট্রিশন প্রকপটুয়াখালীতে পাঁচটি মাদক মামলার ওয়ারেন্ট’র আকুয়াকাটায় ক্রমশই বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ডমনপুরা সংরক্ষিত বন উজাড় করে চলছে সেন্টারিং এপাথরঘাটায় ঘরের পাটাতন ভেঙে ফুটফুটে এক শিশুর তালতলীতে ছাত্রদলের ১১ নেতার পদত্যাগবরিশাল থেকে প্লাজমা দিতে ঢাকায় গেলেন ২১ পুলিপ্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৪টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যবরিশাল নগরীতে রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকদের ৭ দাবীতবরিশালে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হামলা ও ছিনলছিটিতে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটিকে অবা‌ঞ্ছসালমান শাহ’র ৪৯তম জন্মদিন আজ
%d bloggers like this: