উপকূলে তরমুজ চাষীদের হাহাকার

  • আপডেট টাইম : মার্চ ২৭ ২০২০, ১৯:০৯
  • 76 বার পঠিত
উপকূলে তরমুজ চাষীদের হাহাকার

সারাদেশের ন্যায় করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে পটুয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার তরমুজ চাষীরাও রক্ষা পায়নি। বর্তমানে পটুয়াখালীর উপকূলে ২২ হাজার হেক্টর জমি জুরে রয়েছে রসালো ফল ‘তরমুজ’। করোনা দুর্যোগের কারণে যথা সময়ে এ ফল কাঁটতে পারছেননা চাষীরা। যার ফলে ক্ষেতেই পঁচে নষ্ট হচ্ছে হাজারো চাষীর স্বপ্ন। দিশেহারা হয়ে পরেছে কৃষি নির্ভর এই অঞ্চলের তরমুজ চাষীরা। ধার দেনায় জর্জরিত কৃষক পরিবারগুলোতে চলছে শুধু হাহাকার।

সরেজমিনে দেখাগেছে, কিছু চাষী আংশিক জমির তরমুজ আগাম বিক্রি করছে। অনেকেই আবার কিছুই বিক্রি করতে পারেনি।সবেমাত্র ফল কাঁটার উপযোগী হয়েছে। এখন বাজারজাত করার সময়। কিন্তু বাজারজাত করতে না পারায় অনেকের তরমুজগুলো পঁচে উঠেছে। আবার অনেক তরমুজ বেশি পেকে যাওয়ায় ফুটে যাচ্ছে। উপরন্ত লঞ্চ ও ট্রাক চলাচল না করায় ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে তরমুজ পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে মানুষ ঘরমুখি হওয়ায় স্থানীয় বাজার গুলোতেও তরমুজের করদর নেই। সংশ্লিষ্টদের ধারণা এভাবে চলতে থাকলে পটুয়াখালী জেলায় অন্তত ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হবে তরমুজ চাষীদের।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান মতে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করতে ১০০ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা। এবছর লাভের প্রত্যাশা ছিল ২৫০ কোটি টাকারও অধিক। এ পর্যন্ত ৫% তরমুজ বিক্রি হয়েছে, বাকি তরমুজ ক্ষেতে রয়েছে। যদি এক মাসের অধিক এভাবে থাকে তাহলে শতকরা ৮০ ভাগ তরমুজ নষ্ট হবে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার কাউখালী চরের তরমুজ চাষী ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, তিনি এবছর ৩ কানি জমিতে তরমুজ দিয়েছেন। তাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। সে এখনো পর্যন্ত কোন তরমুজ বিক্রি করতে পারেননি। তার ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি উপযোগী হয়েছে। করোনার কারণে তরমুজ চালান করতে পারছেননা। একই এলাকার তরমুজ চাষী আলী আজগর চৌকিদার জানান, সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যায় করে সে এবছর ২ কানি জমিতে তরমুজ দিয়েছেন। এখনো পর্যন্ত তরমুজ বিক্রি করতে পারেনি। আগাম যে তরমুজ হয়েছিল, সেগুলো বৃষ্টির কারণে নষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল। এখন ক্ষেতে বিক্রি উপযোগী ৫০০ তরমুজ রয়েছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মনিরুল ইসলাম জানান, তরমুজ পেকে গেলেই নষ্ট হয়ে যায়না। কিছু দিন সংরক্ষণ করা যায়। কাটার পারেও ৭/৮ দিন রাখা যায়। এবং গাছে নিয়মিত পানি দিয়ে রাখলে একটু দেরীতে কাটলেও সমস্যা হয়না।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
হাসপাতালে ডিবি প্রহরায় নুরকোন অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ছাড় দেয়া হচারঘন্টার ব্যবধানে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল থডাকসু ভিপি নুর গ্রেপ্তারবরিশাল বিভাগে আ.লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী যারাউজিরপুরে সন্ত্রাসী হামলায় গৃহবধুর শ্লীলতাহ৭ দিনের রিমান্ডে নৃত্যশিল্পী বরিশালের ইভানগলাচিপায় নির্ভীক এক ইউএনওকুয়াকাটায় হোটেল আল্লারদান থেকে জেলের লাশ উদ্ঝালকাঠিতে চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেঢাকার দুই লঞ্চ মাঝপথে নামিয়ে দিলেন মনপুরার ৩ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জনধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে নুরের বিরুদ্ধে মামদ্বিতীয় ধাপে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা, প্রস্তুবরিশাল সিটি কর্পোরেশনে চাকরির নিয়োগ
%d bloggers like this: