এবার লক ডাউন ব‌রিশাল !

  • আপডেট টাইম : এপ্রিল ০৭ ২০২০, ১৩:৪৩
  • 1587 বার পঠিত
এবার লক ডাউন ব‌রিশাল !
সংবাদটি শেয়ার করুন....

জিয়া শাহীন,বরিশাল থেকে \ শেষ পর্যন্ত টনক নড়েছে বরিশাল প্রশাসনের। মিডিয়া সেলে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান আজ বরিশালে কাউকে প্রবেশের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। শহরে প্রবেশের সব পথে বসানো হয়েছে চেকপোষ্ট। এর ফলে অন্যাণ্য কিছু জেলার মত বরিশালও নকডাউন পরিস্থিস্থিতে সামিল হল।
সোমবার বিকাল থেকেই প্রশাসন হার্ড লাইনে ছিল। এরপর শেবাচিম করোনা ইউনিটে এক ব্যাক্তির মৃত্যর পর যেন পুরো বরিশাল কেঁপে ওঠে। মানুষও আগের চেয়ে সতর্ক হয়ে উঠে। সতর্ক বলার চেয়ে তাদের মধ্যে আতংক ভর করে।
১৬ মার্চ দেশের সব স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষনার পরও বরিশালে করোনা নিয়ে তেমন একটা সতর্কতা লক্ষ করা যায়নি। ছোটদের মধ্যে ছিল বড় ছুটির বাধ ভাঙ্গা উল্লাস। অভিভাবকরা আবার সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য কোচিং এ পাঠানো শুরু করেন। উদ্যান বা মাঠগুলোতে বিকালে ছিল উপছে পড়া ভিড়। দলে দলে খেলায় মত্ত, বা পায়চারী আড্ডা। হাট বাজার দোকান সব ছির উন্মুক্ত। এরপর প্রশাসন মাঝে মধ্যে দু এক জায়গায় হানা দিলেও তারাও খুব একটা একশনে যায়নি। এক কথায় ছটির আমেজ ছিল সর্বত্র। এরপর ২/৩টি কোচিং সেন্টারে হানা দেয়া হল। আর যখন বন্ধ হল অফিস আদালত, শেবাচিমে একদিনে ২জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেল, তখন নড়েচড়ে বসে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। বন্ধ করে দেয়া হয় প্রায় সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তারপরও রাস্তা ঘাট অলিগলিতে মানুষের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মত। রোববার থেকে সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যু বৃদ্ধি পেতে থাকে, বরিশালের প্রশাসনও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সোমবার বিকাল থেকেই রাস্তায় ব্যাপক একশন শুরু করে পুলিশ। মোড়ে মাড়ে পুলিশ আটকে দিতে থাকে সব ধরনের গাড়ি। এমনকি রিকসা, অটো, মটর সাইকেল সব। সন্ধ্যায় শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা যান সদ্য ভর্তি হওয়ায় এক ব্যাংকার। মুহুর্তের মধ্যে তা বরিশালে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় যাও ২/১জন ছিল তারাও আতঙ্কে ঘরমুখো হয়। প্রশাসনের পক্ষে রাতেই মাইকিং করা হয়। ঘর থেকে বাধ্য না হলে বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে ঘরে নামাজ পড়ার আহবান জানানো হয়। মৃত ব্যক্তিসহ জেলায় একাধিক বাড়ি লকডাউন করা হয়। এমনকি এলাকায় এলাকায় কিছু যুবক লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে আসে। যারা ঘোরাঘুড়ি করছিল, তাদের ঘরে যেতে বাধ্য করা হয়। পুলিশের মটর সাইকেল বহর সারা শহর দাপিয়ে বেড়ায়। কয়েকজনকে দু/চার ঘা দেয়াও হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় চায়ের দোকানও। এরই মাঝে আজ সকালে জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমান ফেইস বুক পেজে বরিশালে কাউকে না ঢোকার নির্দেশ জারি করেন। তিনি লেখেন, বরিশালবাসীকে রক্ষার জন্য এ নির্দেশ দিতে বাধ্য হলাম। নির্দেশ লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অর্থাৎ বরিশাল কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল অন্যান্য জেলা থেকে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
নিখোঁজ হওয়া এমপি আনারের লাশ পাওয়া যায়নি: ভারখণ্ডবিখণ্ড করা হয় এমপি আজিমের লাশ, মিলেছে চাঞ*সুপার বোর্ডের স্টিকার নকল করার দায়ে ১ জন গ্রবিশ্বকাপে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে অনন্য কীর্রিকশাওয়ালা-দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধআগামীতে কোনো প্রকল্পে ‘শেখ হাসিনা’ নাম না রাববি শিক্ষার্থীরা একদিন সারা দেশের নেতৃত্ব দেনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় আজিজ মোহাম্মদসারা বিশ্বে এমআর-৯, মুক্তি পাবে চীনেওভোলায় মেঘনার চরের দখল নিয়ে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষধান কাটার মৌসুমের কারণে ভোট কম পড়েছে: সিইসিফিলিস্তিনিদের দুর্দশা কমাতে দরকার মুসলিম দেছুরি-ব্লেড দিয়ে নিজেই অপারেশন করতেন মিল্টনপ্রয়োজনে শুক্রবারও ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রীজনগণের আস্থাহীন সেনাবাহিনী রণাঙ্গণে জয়ী হতে
%d