এবার লক ডাউন ব‌রিশাল !

  • আপডেট টাইম : এপ্রিল ০৭ ২০২০, ১৩:৪৩
  • 714 বার পঠিত
এবার লক ডাউন ব‌রিশাল !

জিয়া শাহীন,বরিশাল থেকে \ শেষ পর্যন্ত টনক নড়েছে বরিশাল প্রশাসনের। মিডিয়া সেলে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান আজ বরিশালে কাউকে প্রবেশের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। শহরে প্রবেশের সব পথে বসানো হয়েছে চেকপোষ্ট। এর ফলে অন্যাণ্য কিছু জেলার মত বরিশালও নকডাউন পরিস্থিস্থিতে সামিল হল।
সোমবার বিকাল থেকেই প্রশাসন হার্ড লাইনে ছিল। এরপর শেবাচিম করোনা ইউনিটে এক ব্যাক্তির মৃত্যর পর যেন পুরো বরিশাল কেঁপে ওঠে। মানুষও আগের চেয়ে সতর্ক হয়ে উঠে। সতর্ক বলার চেয়ে তাদের মধ্যে আতংক ভর করে।
১৬ মার্চ দেশের সব স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষনার পরও বরিশালে করোনা নিয়ে তেমন একটা সতর্কতা লক্ষ করা যায়নি। ছোটদের মধ্যে ছিল বড় ছুটির বাধ ভাঙ্গা উল্লাস। অভিভাবকরা আবার সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য কোচিং এ পাঠানো শুরু করেন। উদ্যান বা মাঠগুলোতে বিকালে ছিল উপছে পড়া ভিড়। দলে দলে খেলায় মত্ত, বা পায়চারী আড্ডা। হাট বাজার দোকান সব ছির উন্মুক্ত। এরপর প্রশাসন মাঝে মধ্যে দু এক জায়গায় হানা দিলেও তারাও খুব একটা একশনে যায়নি। এক কথায় ছটির আমেজ ছিল সর্বত্র। এরপর ২/৩টি কোচিং সেন্টারে হানা দেয়া হল। আর যখন বন্ধ হল অফিস আদালত, শেবাচিমে একদিনে ২জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেল, তখন নড়েচড়ে বসে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। বন্ধ করে দেয়া হয় প্রায় সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তারপরও রাস্তা ঘাট অলিগলিতে মানুষের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মত। রোববার থেকে সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যু বৃদ্ধি পেতে থাকে, বরিশালের প্রশাসনও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সোমবার বিকাল থেকেই রাস্তায় ব্যাপক একশন শুরু করে পুলিশ। মোড়ে মাড়ে পুলিশ আটকে দিতে থাকে সব ধরনের গাড়ি। এমনকি রিকসা, অটো, মটর সাইকেল সব। সন্ধ্যায় শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা যান সদ্য ভর্তি হওয়ায় এক ব্যাংকার। মুহুর্তের মধ্যে তা বরিশালে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় যাও ২/১জন ছিল তারাও আতঙ্কে ঘরমুখো হয়। প্রশাসনের পক্ষে রাতেই মাইকিং করা হয়। ঘর থেকে বাধ্য না হলে বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে ঘরে নামাজ পড়ার আহবান জানানো হয়। মৃত ব্যক্তিসহ জেলায় একাধিক বাড়ি লকডাউন করা হয়। এমনকি এলাকায় এলাকায় কিছু যুবক লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে আসে। যারা ঘোরাঘুড়ি করছিল, তাদের ঘরে যেতে বাধ্য করা হয়। পুলিশের মটর সাইকেল বহর সারা শহর দাপিয়ে বেড়ায়। কয়েকজনকে দু/চার ঘা দেয়াও হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় চায়ের দোকানও। এরই মাঝে আজ সকালে জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমান ফেইস বুক পেজে বরিশালে কাউকে না ঢোকার নির্দেশ জারি করেন। তিনি লেখেন, বরিশালবাসীকে রক্ষার জন্য এ নির্দেশ দিতে বাধ্য হলাম। নির্দেশ লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অর্থাৎ বরিশাল কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল অন্যান্য জেলা থেকে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

হালিমা খাতুন স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বরিশাল







ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
রমজা‌নে‌ওে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলাশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ৩০ মার্চচলে গেলেন মিডিয়াঙ্গনের পরিচিত মুখ মুরাদ হোসেযুক্তরাষ্ট্রে আবারও চালু হল গ্রিন কার্ডএকসঙ্গে বিষপান করে প্রেমিকের মৃত্যু, প্রেমিকসংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রীবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদন মুছতে ব‌রউন্নীত হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেড ও বেতননির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ৬ মেয়হিন্দু সেজে দুই বিয়ে করলো ইউসুফ, অতঃপর…১০ মাসে আত্মহত্যায় মৃত্যু ১১ হাজার, করোনায় ৫ হবরিশালে ইশরাকের সামনে বিএনপির দুই গ্রুপের চেশেষ মুহুর্তে বিএনপির সমাবেশ স্থল পরিবর্তন করতথ্য গোপন করায় দু’বছর পর পদ হারালেন উপজেলা চেকলেজ-বিশ্বদ্যিালয়ে ভর্তির আগে ডোপ টেস্ট করা
%d bloggers like this: