বরিশাল ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
ভারতের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে বিধিনিষেধ ভঙ্গের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তাকে আটক করা হয়েছে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে নিহত তরুণীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের এই নেতা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, আজ প্রিয়ঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতা-নেত্রীদের প্রতিনিধি দলের একটি কনভয় হাথরসের পথে রওনা হয়। মাঝপথে তাদের প্রথমে আটকে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার করা হয় রাহুল গান্ধীকে। তাকে দেয়া হয়েছে গলাধাক্কাও।
হাথরসের নির্যাতিতার বাড়ি যেতে না দিয়ে রাহুলকে মাঝপথ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার আগে পথের মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে রাহুলের তর্কাতর্কি শুরু হয়। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার রাহুলকে বলে, ‘আপনি ১৪৪ ধারা ভাঙছেন।’ পাল্টা রাহুল বলেন, ‘১৪৪ ধারার অপব্যবহার করছেন আপনারা।’
সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, রাহুল স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হেঁটেই রওনা দেন হাথরসের দিকে। রাহুল-প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরীও। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ হাইওয়ের উপরেই তাদের কনভয় আটকে দেওয়া হয়।
আগে থেকেই রাহুল-প্রিয়ঙ্কা ঘোষণা করেছিলেন হাথরসে যাওয়ার কথা। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার ১৪৪ ধারা জারি করেছিলো যোগী সরকার। তাতেও কর্মসূচি বাতিল করেননি কংগ্রেস নেতা-নেত্রীরা। রাহুল-প্রিয়ঙ্কার কনভয় গ্রেটার নয়ডায় আসতেই আটকে দেওয়া হয়। সেখানে গাড়ি থেকে নেমে উত্তরপ্রদেশ-দিল্লি হাইওয়ে ধরে হাঁটতে শুরু করেছেন তারা।রাহুল প্রিয়ঙ্কাকে যেখানে আটকানো হয়েছে, সেখান থেকে হাথরসের দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার। সেখান থেকে কিছু দূরে এগনোর পরেই রাহুল-প্রিয়ঙ্কাদের আটকায় পুলিশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। রাহুলকে গলাধাক্কা দিতেও দেখা যায় পুলিশকে। পরে গ্রেপ্তার করা হয় কংগ্রেস সাংসদকে।