বরিশাল ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিক্ষোভের মুখে বরিশাল নগরীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা মিল্টনকে গ্রেপ্তার করার পরেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। গতকাল দিনভর আদালতের সামনে বিক্ষোভের পর রাতে মিল্টনের কার্যালয়ে ভাংচুর করে এলাকাবাসী।বর্তমানে কাউনিয়া বাগানবাড়ী এলঅকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পূর্ব বিল্ববাড়ী গ্রামে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক লিটন সিকদার লিটুর দুই পায়ের রগ কেটে, কুপিয়ে ও ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে পুকুরে চুবিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিল্টন। ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি। সে সময় তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।বরিশাল মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানার প্রত্যাহার হওয়া ওসি রফিকুল ইসলাম শনিবার বলেন, মিল্টনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে এলাকাবাসী থানার সামনে বিক্ষোভ করে। এ ছাড়া এক নারী তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছে। মামলার পর পর তাকে গ্রেপ্তার হয়।গ্রেপ্তার করার পর থানায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে লিটু হত্যার প্রধান আসামি মিল্টন এর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গতকাল রবিবার সকালে নগরীর ফজলুল হক এভিনিউস্থ আদালত চত্ত্বরে সামনে এলাকাবাসীর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে গতকাল রাতে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী মিল্টনের নিজস্ব কার্যালয়ে সেখানে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এবং ওই কার্যালয়ের আসবাবপত্র বাইরে ফেলে দেয়। এছাড়া গত দুদিন ধরে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে কাউনিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে তার স্থলে সনজিত চন্দ্র দেবনাথকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।