বরিশালে পরীক্ষার নাটক করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সমুদয় বেতন ফি প্রদানে চাপ প্রয়োগ

  • আপডেট টাইম : অক্টোবর ১১ ২০২০, ০৯:৫৬
  • 824 বার পঠিত
  • আপডেট টাইম : অক্টোবর ১১ ২০২০, ০৯:৫৬
  • 824 বার পঠিত
বরিশালে পরীক্ষার নাটক করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সমুদয় বেতন ফি প্রদানে চাপ প্রয়োগ

জিয়া শাহীন ॥ বরিশালে করোনাকালে সরকার যেখানে উচ্চ মাধ্যমিকসহ জেএসসি, পিইসি পরীক্ষা বাতিল করেছে, শিক্ষকদের স্কুলে আগমনে শর্তারোপ করেছে, সেখানে বরিশালের একাধিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সমুদয় বেতনভাতা প্রদানের জন্য চাপ প্রয়াগের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কোন কোন স্কুল বেতন ও পরীক্ষা ফিস নিয়ে বাসায় খাতা ও প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিচ্ছে, যা অর্থগ্রহনের এক নাটক বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। এমনকি বেতন ফি না দিতে পারলে পরীক্ষার উত্তরপত্র দেয়া হবে না বলে হুমকী দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। মার্চ থেকে করোনার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। কিন্তু সরকার শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনভাতা প্রদান করছে। তারপরও শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়কে শিক্ষা কর্মকর্তারাও ভাল চোখে দেখছেন না। কিন্তু অভিযোগ পেয়েও তারা কোন প্রকার একশনে না যাওয়ায় অভিভাবকরা বাধ্য হচ্ছেন টাকা দিতে। অর্থগ্রহনের অভিযোগ রয়েছে রূপাতলী এ ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

এ ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, করোনাকালে বিদ্যালয়ে এতো শিক্ষার্থীর জড়ো হওয়া আশঙ্কাজনক। তারপরও এর মধ্যে বেতন পরীক্ষার ফিস সেশনচার্জসহ সমুদয় টাকা জমা দিতে বলেছেন শিক্ষকরা। তাদের অনেকেই অনলাইন ক্লাস করেনি। এতোদিন স্কুল কর্তৃপক্ষেরও তেমন কোন উদ্যেগ ছিলনা। হঠাৎ করেই গত ৮ অক্টোবর তাদের মোবাইল ফোনে জানানো হয়, ১১ অক্টোবরের মধ্যে বকেয়া বেতন ও পরীক্ষার ফি জমা দিয়ে উত্তরপত্র নিয়ে যেতে হবে। ১২ অক্টোবর থেকে নিজ ঘরে বসে পরীক্ষা দেবে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু তাদের কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবী করা হয়েছে। তারা টাকা মওকুফের জন্য আবেদন করলেও তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে লুকোচুরি করার চেষ্টা করে। বাসায় বসে বই দেখে পরীক্ষা নেয়ার কোন সিদ্ধান্ত সরকার দেয়নি বলে তাদের দাবি।
এ ব্যাপারে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো আনোয়ার হোসেন জানান, যেখানে উচ্চ মাধ্যৗমিক জেএসসির মত গুরুত্বপুর্ন পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, প্রয়োজন ছাড়া শিক্ষকদের স্কুলে হাজির না হতে বলা হয়েছে, সেখানে পরীক্ষার নামে অর্থ উত্তোলন নিয়ম বহির্ভত বলে তিনি জানন। বরিশাল সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিথিকা সরকার বলেন, তিনি বৃহস্পতিবার অভিযোগ পেয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ফোন করেছিলেন। প্রধান শিক্ষক তাকে জানিয়েছেন স্কুলেকোন অর্থ গ্রহন করা হচ্ছে না। কিন্তু গতকাল যখন অভিঅবকদের স্কুলে এনে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে তখন তিনি সত্য বলেননি বলে প্রতিয়মান হচ্ছে। একই অভিযোগ রয়েছে বিএম কলেজ এলাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে।
এ ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর বেতন মওকুফ করেছি, প্রয়োজনে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের বেতনও মওকুফ করা হবে।
উল্লেখ্য গতমাসে উদয়ন স্কুলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ উঠেছিল। চাপ দিয়ে বেতস আদায় করে তারা শিক্ষার্থীদের বাসায় থাতা ও প্রশ্ন পাঠিয়ে নাটকের শুরু করে। বিষয়টি প্রশাসন পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় উদয়ন স্কুলের পদাংক অনুসরণ করছে অন্যান্য স্কুলগুলো। আর করোনার মধ্যে বেতনের চাপে নিস্পেষিত হচ্ছে অভিভাবক শিক্ষার্থীরা।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে বজ্রপাতে দুই শিক্ষা প্রতিজনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জ্বালানি তসংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেদেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বদাপুটে জয়ে সমতায় বাংলাদেশগ্রেপ্তার মিলটনের কার্যালয় ভাংচুর, পরিস্থিতসাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাট২২০ টাকা বাড়ল এলপি গ্যাসের দামহরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজে হামলাপেট্রল-অকটেন-ডিজেলের দাম বাড়লহরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজে হামলা আইআরজিসিরনারী আসন সংরক্ষণ বিল পাস করাতে পারল না মোদি সরবাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় শিক্ষার্থএইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাইবিক্ষোভের মুখে নগরীর আলোচিত মিল্টন ফের গ্রেপ

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493