বরিশাল ২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
ভোলার দৌলতখানে রিকশাচালকের স্ত্রী চার সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মহসিন মাঝির বিরুদ্ধে। দৌলতখান পৌর ২ নং ওয়ার্ডে সপ্তাহ খানেক আগে ঘটনাটি ঘটলেও লোকলজ্জা ও সংসার ভেঙে যাওয়ার ভয়ে এ ব্যাপারে ধর্ষিতা এতদিন মুখ বুজে ছিলেন। ধর্ষক মহসিন মাঝির ছেলে-মেয়েরা ভিকটিমের চরিত্র নিয়ে নানা অপবাদ দেয়ার কারণে ভিকটিম মুখ খোলেন।
শনিবার সরেজমিনে গেলে ভিকটিম সাংবাদিকদের বলেন, তার স্বামী একজন রিক্সাচালক। রোজ গারের জন্য প্রতিদিন রিক্সাচালিয়ে গভীর রাতে বাড়ি ফেরেন। দরজা আটকিয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়লে স্বামী এসে অনেক সময় আমার ঘুমের কারণে দরজায় দাড়িয়ে থেকে বিরক্ত হয়ে যান। এ জন্য দরজার সিটকিনি না আটকিয়ে চাপ দিয়ে রাখতে স্বামীর নির্দেশ ছিলো। আর এ সুযোগ নিয়ে কয়েক দিন আগে রাত সাড়ে এগারোটায় প্রতিবেশী মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে মহসিন মাঝি (১১ সন্তানের জনক) দরজা খুলে ঘরে ঢুকে আমার মুখ চেপে রান্না ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। যাওয়ার সময় সে এ ঘটনা কাউকে জানালে আমার সংসার ভেঙে দেয়ার এমনকি জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি লোকলজ্জা ও সংসার ভেঙে যাওয়ার ভয়ে এ ঘটনা কাউকে জানাতে পারিনি।
কিন্তু মহসিন মাঝির ছেলে মেয়েরাই এখন আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক কুৎসা রটাচ্ছে। শনিবার সকালে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে মহসিন মাঝি সটকে পড়লে তার বক্তব্য জানা যায়নি। তার ছেলে আল আমিন জানান তিনি বাংলাবাজার গিয়েছেন।
এদিকে সাংবাদিকরা ওই স্থান ত্যাগ করার পর মহসিন মাঝির ছেলে মেয়েরা ভিকটিমকে হুমকি-ধামকি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলে সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে। এ ঘটনার পর শনিবার সকালে ভিকটিম বাদি হয়ে মহসিন মাঝিকে আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
দৌলতখান থানার ওসি বজলার রহমান জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’