বরিশাল ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘ভোজ্য তেলের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। ভোজ্য তেল একটি আমদানিনির্ভর পণ্য। দেশের মোট চাহিদার মাত্র ১০ ভাগ স্থানীয় উৎপাদন থেকে মেটানো হয়, বাকি ৯০ ভাগই আমদানি করে প্রয়োজন মেটাতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্য তেলের মূল্য ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের দেশেও এর প্রভাব পড়েছে।
আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি, যাতে ভোজ্য তেলের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে থাকে এবং বাজারে যাতে তেলের কোনো ঘাটতি না হয় এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। ‘
আজ সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ভোজ্য তেলের বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
‘আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ভোজ্য তেলের মূল্য আমাদের দেশের তুলনায় বেশি বেড়েছে’ উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন প্রতি লিটার বোতলজাত ভোজ্য তেলের মূল্য ১৯৮ টাকা। একই সময়ে ভারতে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৪ দশমিক ৬৫ টাকা, পাকিস্তানে প্রায় ২৩৮ দশমিক ৬৯ টাকা এবং নেপালে প্রায় ২১৪ দশমিক ৭৫ টাকা। আমরা কঠোরভাবে মনিটর করছি যাতে তেলের ক্রয় মূল্য, পরিবহন ব্যয়, শুল্কসহ সব ধরনের ব্যয় ধরে যৌক্তিক পর্যায়ে ভোজ্য তেলের মূল্য নিশ্চিত করা যায়