বরিশাল ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হয়েছিল সুশান্তের। মর্গের এই কর্মী দাবি, সুশান্তের দেহে এবং গলায় একাধিক আঘাতের দাগ ছিল। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সে কথা তিনি জানিয়েছিলেন তখনই।
টাইমস নাউকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুপকুমার বলেন, যখন সুশান্তকে আনা হয়েছিল তখন হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঁচটি দেহ আনা হয়েছিল।
তার মাঝে একটি ছিল ভিআইপি বডি। আমরা যখন ময়না তদন্তের জন্য যাই তখন জানতে পারি সেটি সুশান্তের। তার দেহে একাধিক আঘাত ছিল এবং দুই থেকে তিনটি দাগ ছিল ঘাড়ে।
তিনি বলেন, ময়না তদন্তে এসব তথ্য থাকার কথা থাকলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের বলেছিলেন শুধু মৃতদেহের ছবি তুলতে, আমরা তাদের কথা মতো তাই করেছি।
তিনি আরো বলেন, সুশান্তের দেহ যখন প্রথমবার দেখি, আমি ঊর্ধ্বতনদের বলি এটা আত্মহত্যা নয়, খুন। তাদের এটাও বলি আমাদের নীতি মেনে কাজ করা উচিত। কিন্তু তারা আমাকে বলেন, আমাদের ছবি তুলে দ্রুত মৃতদেহ পুলিশকে হস্তান্তর করতে হবে। রাতেই আমরা সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলাম।
২০২০ সালের ১৪ জুন মুম্বাইয়ের আবাসন থেকে সুশান্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছিল, আত্মহত্যা করেছেন সুশান্ত। যদিও তার পরিবার দাবি করে, খুন করা হয়েছিল অভিনেতাকে।