ডিমের হালি ৬০, পেয়াজ ৭০

  • আপডেট টাইম : আগস্ট ১১ ২০২৩, ০৪:০৯
  • 191 বার পঠিত
  • আপডেট টাইম : আগস্ট ১১ ২০২৩, ০৪:০৯
  • 191 বার পঠিত
ডিমের হালি ৬০, পেয়াজ ৭০

দেশে ডিমের বাজারে চলছে অস্থিরতা। বাজারে প্রতি হালি ডিম ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু ডিম নয়, বেড়েছে মাছ, মুরগি, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম। শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজও কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি।
ডিমের দামের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মুরগির দামও। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি বা কক মুরগি ৩২০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
এছাড়া চাল, ডাল, চিনি, আটা, ময়দাসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে ‘আগুনে হাত পুড়ে’ যাওয়ার মতো অবস্থা দাঁড়িয়েছে।
ফলে মধ্যবিত্ত ভোক্তার জন্য বাজার করা আর্থিক ও মানসিক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাদের আলুভর্তা ও ডিম-ডাল দিয়ে কোনোভাবে দুবেলা চালত, তারাও এখন প্রায় নিরুপায়। এদিকে চলমান পরিস্থিতিতে স্বল্পআয়ের মানুষের নিত্যদিনের চাহিদায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে। সব মিলে নিত্যণ্যের বাড়তি দাম মেটাতে ভোক্তার হাঁসফাঁস অবস্থা। অনেক ক্রেতা অপরিহার্য পণ্য ছাড়া অন্য কিছু কেনা বাদ দিয়েছেন।
নতুন বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা বিপ্লব কুমার বলেন, ‘বাজারে পণ্যের দাম শুনে এখন ভয় হয়। এমন কোনো পণ্য নেই যার দাম বাড়েনি। পরিস্থিতি এমন যে, ব্যয়ের সঙ্গে আয় না বাড়ায় আমাদের দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে।’
পোর্ট রোড বাজারে ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতা সোহাগ বলেন, ‘ডিম ছাড়া আমার পরিবারে চলেই না। কিন্তু বর্তমান যে দাম তাতে ডিম কেনা দায়। তাছাড়া ডিমের মধ্যে কেমন যেন গন্ধ পাই, মনে হয় ওষুধের গন্ধ। এটা কেন হচ্ছে জানিনা। এর আগে এমনটা হয়নি। গত দুই বার আমি ডিম কিনে তা ফেলে দিতে হয়েছে। আমার মনে হয় মুরগিকে যে ওষুধ খাওয়ানো হয় তা ডিমের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। যা খেতে গেলে বমি চলে আসে।’
একই বাজারে চিনি কিনতে আসেন উজ্জল কর্মকার। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাজারে চিনি কিনতে হচ্ছে ১৪০/১৫০ টাকা দরে। কিন্তু আমি আশ্চর্য হই যে, ভারতের বাজারে চিনি পাওয়া যাচ্ছে ৪৩ টাকা কেজি দরে। তাদের মুদ্রা হিসেবে আমাদের এখানে সর্বচ্চ ৬০/৭০ হলেও মানা যেত, কিন্তু ১৫০ টাকা চিনি বিক্রির কারণ আমার মাথায় আসে না।’
পুরান বাজারের মাছ বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, ‘বাজারে সব মাছের দামই বেড়েছে। ইলিশ মাছের দাম এ বছর সাধারণের নাগালের বাইরে। অন্য মাছের দামও কমছে না। অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেশি থাকায় মাছের দাম চড়া।’

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে বজ্রপাতে দুই শিক্ষা প্রতিজনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জ্বালানি তসংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেদেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বদাপুটে জয়ে সমতায় বাংলাদেশগ্রেপ্তার মিলটনের কার্যালয় ভাংচুর, পরিস্থিতসাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাট২২০ টাকা বাড়ল এলপি গ্যাসের দামহরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজে হামলাপেট্রল-অকটেন-ডিজেলের দাম বাড়লহরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজে হামলা আইআরজিসিরনারী আসন সংরক্ষণ বিল পাস করাতে পারল না মোদি সরবাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় শিক্ষার্থএইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাইবিক্ষোভের মুখে নগরীর আলোচিত মিল্টন ফের গ্রেপ

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493