বরিশাল ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল-৫ ও ৬ আসনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির, চরমোনাই পীরের ভাই মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম বলেছেন হাতপাখা মার্কায় ভোট দিলে দেশের নারীদের চাকুরী করতে হবে না। ঘরেই তাদের টাকা পৌছে দেয়া হবে। বরিশাল প্রেসক্লাবে দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি আর কোন জোটের সাথে ঐক্য গড়া সম্ভবনা নাকচ করে দেন। একই সাথে নিরাপরাধ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হয়রানী না করারও দাবি জানান তিনি।
বরিশাল-৫ আসন থেকে ফয়জুল করিমের সন্মানে জামায়াতে ইসলাম তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করার পর গতকাল বুধবার মিডিয়ার সামনে কথা বলেন ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পর তিনি মোবাইলে জামায়াত প্রার্থী এ্যাড. মুয়ায্যম হোসাইন হেলালকে ধন্যবাদ জানান বলেও উল্লেখ করেন। তবে এখন আর কোন জোটের সাথে ঐক্য সম্ভব নয় বলে তিনি জানান। ফয়জুল করিম বলেন, যে নীতি ও আদর্শ নিয়ে ইসলামী ঐক্য জোট গঠত হয়েছিল, সেখানি থেকে জামায়াতের বিচ্যুতি ঘটে। ইসলামের শরীয়া আইনে দেশ পরিচালনার কথা বলে সেখান থেকে তারা সরে এসেছে। বরিশাল-৫ থেকে জামায়াত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও বরিশাল-৬ আসনে জামায়াত প্রার্থীতা বহাল রাখার পরও সেখানেও তিনি বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হাতপাখা মার্কার প্রার্থী বলেন, বরিশাল-৫ আসনে এর আগে একাধিকবার বিএনপির ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার জয়ী হয়ে এমপি নিযুক্ত হয়েছেন। যারা সংসদে উচ্চ কন্ঠে কথা বলতে পারেন এবার তাদের ভোট দেয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন একটিবারের মত ইসলামী আন্দোলনকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, দক্ষিনাঞ্চলের সব সমস্যা সমাধান হবে ইনশাল্লাহ। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তেরে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন সরকার গঠন করলে নারীদের যথাযথ সন্মান দেয়া হবে। নারীদের বাইরে চাকুরী করার প্রয়োজন নাই। তাদের অর্থ ঘরে পৌছে দেয়া হবে।
আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের অযথা হয়রানী না করার কথা বলে মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম বলেন, যেসব আ’লীগ নেতা কর্মীদের নামে কোন মামলা নেই, তারা বাংলাদেশর নাগরিক, তাদের নাগরিকত্ব সরকার বাতিল করে নাই, তাদের নিরাপত্তা দেবার দায়িত্ব সরকারের। তারা যদি নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় সামিল হয়, তাদের যেন আটক না করা হয়।
তিনি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা সময় একটি মামলাও যেন দায়ের না হয়। আগে যে মামলাগুলো ছিল, তাদের গ্রেফতারে তার কোন আপত্তি নেই। নাগরিকদের অযথা হয়রানী ইসলামী আন্দোলন মেনে নেবে না।