জলকেলি উৎসবে মুখর কুয়াকাটা,তরুণ-তরুণীদের নৃত্যে মুগ্ধ দর্শক

  • আপডেট টাইম : এপ্রিল ১৮ ২০২৬, ০৬:৫৫
  • 26 বার পঠিত
  • আপডেট টাইম : এপ্রিল ১৮ ২০২৬, ০৬:৫৫
  • 26 বার পঠিত
জলকেলি উৎসবে মুখর কুয়াকাটা,তরুণ-তরুণীদের নৃত্যে মুগ্ধ দর্শক

oplus_0

জনি আলমগীর কুয়াকাটা প্রতিনিধি:

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন রাখাইন মার্কেট মাঠে তিন দিনব্যাপী এ উৎসব মিলনমেলায় পরিণত হয়।
উৎসবস্থলে সাজানো একটি নৌকায় পানি রেখে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নাচ-গান আর উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আগত তরুণ-তরুণীরা অংশ নেন।
রাখাইন মহা সাংগ্রাইন ১৩৮৮ বর্ষবরণ ও জলকেলি উদযাপন কমিটির আয়োজনে তরুণ-তরুণীরা রঙিন পোশাকে সজ্জিত হয়ে নিজস্ব সাংস্কৃতিক নৃত্য পরিবেশন করেন। তাদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে রাখাইন জনগোষ্ঠীর শত বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। নৃত্যের তালে তালে দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে উৎসব প্রাঙ্গণ।
আয়োজকরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। রাখাইন অ্যামং তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান। এছাড়া কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমিরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে ধর্মীয় প্রার্থনা ও মঙ্গল কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
স্থানীয় রাখাইনরা জানান, জলকেলি উৎসব শুধু আনন্দের নয়; এটি তাদের ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের কাছে সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। প্রতি বছর এ উৎসবের মাধ্যমে পুরোনো বছরের গ্লানি মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের আয়োজন কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে রাখাইন সংস্কৃতিকে পরিচিত করে তোলে।
রাখাইন তরুণী মিয়াশু বলেন, সাংগ্রাই শুধু উৎসব নয়, এটি আমাদের জীবনের নতুন সূচনার প্রতীক। সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে একসাথে পথ চলার অঙ্গীকার এটি।
রাখাইন তরুণ উখিন বলেন, এই জলকেলির মাধ্যমে আমরা একে অপরের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করি। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।
রাখাইন মংচোমেন জানান, পুরোনো বছরের সব দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন বছরকে বরণ করতেই এ জলকেলি উৎসবের আয়োজন করা হয়। এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের প্রতীক।
মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, উৎসবকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে বজ্রপাতে দুই শিক্ষা প্রতিজনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জ্বালানি তসংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেদেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বদাপুটে জয়ে সমতায় বাংলাদেশগ্রেপ্তার মিলটনের কার্যালয় ভাংচুর, পরিস্থিতসাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাট২২০ টাকা বাড়ল এলপি গ্যাসের দামহরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজে হামলাপেট্রল-অকটেন-ডিজেলের দাম বাড়লহরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজে হামলা আইআরজিসিরনারী আসন সংরক্ষণ বিল পাস করাতে পারল না মোদি সরবাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় শিক্ষার্থএইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাইবিক্ষোভের মুখে নগরীর আলোচিত মিল্টন ফের গ্রেপ

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481