বরিশাল ৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
প্রতিদিন ডেস্ক \ কাশ্মীর সীমান্তে কড়া নজর। সেই সীমান্ত পার করে ভারতে ঢোকা বেশ কষ্টকর। তাই এবার অন্যপথ খুঁজছে পাকিস্তানি জঙ্গিরা। এখন তাদের পাখির চোখ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। সেই পরিকল্পনা সফল করতে নয়া পরিকল্পনা করছে ইসলামাবাদ। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মগজ ধোলাই করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা ওঝও। তারপর কোটি কোটি টাকা খরচ করে তাদের দেওয়া হচ্ছে অত্যাধুনিক জঙ্গি প্রশিক্ষণ। পরে তাদেরই বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে ভারতে ঢোকানোর ছক কষেছে ওঝও।
মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ ও তৎসংলগ্ন দেশগুলিতে সন্ত্রাস ছড়াতে পারে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ভারতে বালাকোটে ভারতে এয়ারস্ট্রাইকের পর থেকেই বদলা নেওয়ার ছক কষছে পাকিস্তান। কিন্তু কাশ্মীর সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা থাকায় পাকিস্তানের সে গুড়ে বালি পড়েছে। বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে তারা। তাই এবার প্ল্যান-বি কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর তারা।
সাম্প্রতিক বাংলাদেশের গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাক সন্ত্রাসবাদি সংগঠনগুলি। নেপথ্যে খরচ জোগাচ্ছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বাংলাদেশের কক্সবাজার সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তৈরি হয়েছে ঘাঁটি। সেখানে কোটি-কোটি টাকা খরচ করে অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বাছাই করা ৪০ রোহিঙ্গাকে। জানা গিয়েছে, বাছাই করা রোহ্ঙ্গিাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জামাত-উল-মুজাহিদিন অফ বাংলাদেশ। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় গোপন ঘাঁটিতে চলছে প্রশিক্ষণ। গোয়েন্দা রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রশিক্ষণ দিতে বিভিন্ন খাতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে।
[কিন্তু পাকিস্তান ছেড়ে বাংলাদেশে কেন সন্ত্রাসবাদিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে? ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসদমন সংস্থাগুলি পাকিস্তারেন কার্যকলাপের উপর নজর রেখেছে। এমনকী দেশে সন্ত্রাসবাদি কার্যকলাপে লাগাম না পরালে, আর্থিক সাহায্য বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তাই সাবধানী পদক্ষেপ করছে পাকিস্তান। আর ঠিক সেই কারণেই দেশের মাটিতে জঙ্গি তৈরির বদলে তারা বেছে নিয়েছে বাংলাদেশের মাটিকেই।