বরিশাল ২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
চীন ও রাশিয়ার মধ্যে সড়কপথে সংযোগ স্থাপনে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এটিই চীন-রাশিয়ার মধ্যে প্রথম সেতু। এর মধ্য দিয়ে তৈরি হলো নতুন ইতিহাস। সেতুটি রাশিয়ার ব্লাগোভেসচেনস্ক শহরের সঙ্গে চীনের হেইহে অঞ্চলকে সংযুক্ত করবে।
২০২০ সালের শেষের দিকে যান চলাচলের জন্য এই সেতুকে খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া।
এই সেতু তৈরির জন্য ১৯৮৮ সালে প্রথম চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে আলোচনা হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯৫ সালে চীন ও রাশিয়া একটি চুক্তি করে। এরপর ২০১৬ সালে এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। সেতু তৈরিতে ব্যয় হয় সাড়ে ২৯ কোটি ডলার (১৮.৮ বিলিয়ন রুবল)।
হেইলংজিয়াং নদীর ওপর তৈরি হওয়া ১০৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর ৫৪০ মিটার চীনে ও ৫৪০ মিটার পড়েছে রাশিয়ায়। দুই দেশের দুটি শহরকে সংযোগ করে- এমন সর্বশেষ নেওয়া পরিকাঠামো প্রকল্পগুলোর একটি হচ্ছে ওই সেতু। আমুর নদীর ওপর নির্মিত সেতুর সঙ্গে আরও ২০ কিলোমিটারের নতুন রাস্তা নির্মাণ করেছে একটি রুশ এবং চীনা কম্পানি।
ডাচ্ স্থাপত্যবিদদের নকশায় সীমান্ত অতিক্রমকারী ‘কেবল কার’ ইউএনস্টুডিও (তারের ওপর ভর করে চলা গাড়ি) ২০২০ সালে হেইহি ও ব্লাগোভেসচেনস্ক শহরের সংযোগ স্থাপনকারী সেতুতে চালু হবে। এই কেবল কারে চড়ে এক শহর থেকে অন্য শহরে যেতে মাত্র সাড়ে সাত মিনিট সময় লাগবে।