আমি ফতুর হয়ে গেছি: ডা. জাফরুল্লাহ

  • আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ০৫ ২০২০, ০১:১৮
  • 769 বার পঠিত
  • আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ০৫ ২০২০, ০১:১৮
  • 769 বার পঠিত
আমি ফতুর হয়ে গেছি: ডা. জাফরুল্লাহ

দি বরিশাল ডেস্ক।। করোনা পরীক্ষার অ্যান্টিবডি কিটের অনুমোদন না দেয়া বড় অংকের আর্থিক লোকসানে পড়ে ফতুর হয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

একটি জাতীয় দৈনিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ আগ্রহ দেখিয়েছিল এই অ্যান্টিবডি নেয়ার। ব্যাংকগুলো ডেকেছিল টাকা দেওয়ার জন্য; কিন্তু এখন আর কেউ টাকা দিতে চায় না। আমার ১০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। আমি ফতুর হয়ে গেছি। তারা মনে করে, আমি তো আর হাসপাতাল বন্ধ করে দেব না; দিতে হতেও পারে। আমরা টায়ার্ড হয়ে গেছি। তাদের কোনো ন্যায়নীতির কথা বোঝানো যায় না।

সম্প্রতি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে কোভিড-১৯-এর পরীক্ষা বন্ধ করতে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখা। গত সোমবার হাসপাতাল শাখা থেকে ফোন করে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. ফরিদ উদ্দিন মিয়া জানান, আমরা জানতে পেরেছি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে আরটিপিসিআরে কভিড-১৯ টেস্ট করা হচ্ছে। কিন্তু তারা আমাদের কাছ থেকে কোনো রকম অনুমতি নেয়নি। অনুমতি ছাড়া কোনো হাসপাতালই কভিড-১৯ টেস্ট করতে পারে না।

সাম্প্রতিক সময়ে অ্যান্টিবডি কিট, গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের নিবন্ধন নবায়ন না করা, অনুমোদন ছাড়া আরটি-পিসিআর টেস্ট চালু, অনুমোদন ছাড়া প্লাজমা থেরাপি সেন্টার চালুসহ একের পর এক বিষয় নিয়ে জটিলতা ও বিতর্কে জড়িয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, কত পারমিশন নেব। হাসপাতাল করার সময় লাইসেন্স করেছি। প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা দিয়েছি। এখন যদি প্রতিটা ল্যাবের জন্য আলাদা পারমিশন নিতে হয়, যন্ত্র আনতে পারমিশন নিতে হয়, সেটা স্রেফ চাঁদাবাজি ছাড়া কিছু নয়। প্রতিটা বিষয়ের জন্য আলাদা লাইসেন্স নিতে হবে কেন? তাদের বরং এসে দেখা উচিত কাজটা ঠিকমতো হচ্ছে কি না, মেশিন ঠিক আছে কি না; কিন্তু সেটা তারা দেখছে না।

তিনি বলেন, তাদের উচিত দাম ঠিক করে দেওয়া। তারা সেটা করছে না। সরকারি হাসপাতালে কোনো জিনিসের ট্যাক্স লাগে না, আইসিডিডিআরবির লাগে না, বারডেমের লাগে না, আমার কেন ট্যাক্স লাগে! আমার তো বড় একটা ব্লাড ট্রান্সফিউশন সেন্টার। সেটা অনুমোদিত না। সম্ভবত এটাও একটা কারণ। কিন্তু আমি ২০ বছর ধরে বলছি এই জনবল তৈরি করার জন্য; কিন্তু সেটা করছে না।

ড. বিজন কুমার শীল কেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকতে পারলেন না? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমিই ভুল করেছি। আগে আমার এখানে তিনি ২০ বছর কাজ করেছেন। এবার আসার পরে আমি খেয়াল করিনি যে তাঁর সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টে সিল মারা রয়েছে যে তিনি এখানে কোনো কাজ করতে পারবেন না। ফলে আমাদের দেশের মানুষই ক্ষতির শিকার হলো।

সূত্র: সময় টিভি অনলাইন

 

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে বজ্রপাতে দুই শিক্ষা প্রতিজনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জ্বালানি তসংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেদেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বদাপুটে জয়ে সমতায় বাংলাদেশগ্রেপ্তার মিলটনের কার্যালয় ভাংচুর, পরিস্থিতসাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাট২২০ টাকা বাড়ল এলপি গ্যাসের দামহরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজে হামলাপেট্রল-অকটেন-ডিজেলের দাম বাড়লহরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজে হামলা আইআরজিসিরনারী আসন সংরক্ষণ বিল পাস করাতে পারল না মোদি সরবাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় শিক্ষার্থএইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাইবিক্ষোভের মুখে নগরীর আলোচিত মিল্টন ফের গ্রেপ

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493