বরিশাল ২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
পুত্রবধূ (২৫) কে ধর্ষণের অভিযোগে শশুর আমিনুল হক বাচ্চু (৫০) এর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুই সন্তানের জননী ওই নারী পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতণ দমন ট্রাইবুনালে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডি কে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগে শাশুরী স্কুল শিক্ষকা কুলসুম বেগম রানীকেও আসামি করা হয়েছে। লম্পট শিক্ষক বাচ্চু উপজেলার তাফাল বাড়িয়া গ্রামের মৃত. মান্নান দফাদারের ছেলে ও তাফাল বাড়িয়া হাকিমিয়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক। কুলসুম বেগম ৯৯ নং তাফালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খেতাছিড়া গ্রামে ওই নারীকে ৬ বছর আগে শিক্ষক তার প্রতিবন্ধী ছেলের বৌ করে নিয়ে আসে। বিয়ের কিছুদিন পরে লম্পট শশুর নববধূকে উত্যক্ত করতে থাকে। এরই ধারবাহিকতায় শাশুরী বাড়িতে না থাকার সুযোগে একদিন পুত্রবধূকে জোর করে ধর্ষণ করে।
বিষয়টি ওই গৃহবধূ তার শিক্ষিকা শাশুরিকে জানালে সে তাকে চেঁপে যেতে বলে ও মারধর করে। এভাবে শতাধিকবার লম্পট শ^শুর তাকে ধর্ষণ করে। একদিন শাশুরি আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলার পরে আবারও ঘটনা চেঁপে যেতে বলে ও তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।
এব্যপারে অভিযুক্ত আমিনুল হক বাচ্চু সকল ঘটনা অস্বীকার করে বলে, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি সাংবাদিকদের সংবাদ না করারও অনুরোধ করে।
মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. ধলু দর্জি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফারুক আহম্মেদ বলেন, শিক্ষক আমিনুল হক বাচ্চুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।