বরিশাল ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিন শ্রীলঙ্কা বিপক্ষে বেশ আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ড্র মেনে নিতে হলো বাংলাদেশকে। মূলত সপ্তম উইকেট জুটিতে দীনেশ চান্দিমাল ও নিরোশান ডিকভেলার অপরাজিত ৯৯ রানের জুটি বাঁচিয়ে দেয় লঙ্কানদের। অথচ দিনের শুরুতে তাজুল ইসলাম ও স্পিনারদের ঘূর্ণিতে জয়ের স্বপ্নই দেখছিল স্বাগতিকরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা: ৩৯৭ ও ২০৬/৬
বাংলাদেশ: ৪৬৫
চান্দিমাল ও ডিকভেলার দৃঢ়তায় শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬০ রানে শেষ করেছে।
চতুর্থ দিন শ্রীলঙ্কা ৩৯ রানে দুই উইকেট হারিয়ে মাঠ ছেড়েছিল। দিমুথ করুনারত্নে ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। এর আগে শ্রীলঙ্কা নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রান করেছিল। পরে বাংলাদেশ ৪৬৫ রান করে ৬৮ রানের লিড নিয়েছিল।
এদিন প্রথমে কুশল মেন্ডিসকে বোল্ড করেন তাইজুল। মেন্ডিস ৪২ বলে ৪৮ রান করেছিলেন। তবে এরপর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে শূন্য রানে নিজেই ক্যাচ নিয়ে ফেরান বাঁহাতি এই স্পিনার।
শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮তম ওভারে দলটির অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নেকে বিদায় করেন তাইজুল ইসলাম। অবশ্য মুমিনুল হকের দুর্দান্ত ক্যাচও এই উইকেটে সামিল থাকবে। করুনারত্নে ১৩৮ বলে ২টি চারে ৫২ রান করেন।
বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুলের ঘূর্ণির পর সাকিব আল হাসানও শিকারে নামেন। ধনাঞ্জায়া ডি সিলভাকে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচে ফেরান সাকিব।
কিন্তু এরপর চান্দিমাল ও ডিকভেলার দৃঢ় ব্যাটিংয়ে আর পেরে ওঠেনি বাংলাদেশের বোলাররা। চান্দিমাল ১৩৫ বলে ৩৯ ও ডিকভেলা ৯৬ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন।
তাইজুল ইসলাম ৩৪ ওভারে ৮২ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট পান। এক উইকেট দখল করেন সাকিব।