বরিশাল ৩১শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
আগামী বছরের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন কারিকুলামের ওপর শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আগামী ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে অনলাইনে এ প্রশিক্ষণে বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
শনি ও রোববার মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ানো হয়) প্রায় সোয়া তিন লাখ মাধ্যমিক শিক্ষককে এক ঘণ্টা করে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়ার আয়োজন করেছিল মাউশি। কিন্তু রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সোয়া দুই লাখের মতো শিক্ষক অংশ নিয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকিরা অংশ নিতে পারেননি। তাদের জন্য নতুন করে আবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলো।
কথা ছিল, চলতি মাসে বিষয়ভিত্তিক সব শিক্ষককে সশরীর পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষ (২০২৩) থেকে তিনটি শ্রেণিতে (প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম) নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। বাকি শ্রেণিগুলোতে ২০২৪ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে এ শিক্ষাক্রম চালু হবে। কিন্তু পথরেখা অনুযায়ী শিক্ষকদের সেই প্রশিক্ষণ দিতে পারেনি মাউশি। এ জন্য মাধ্যমিকের শিক্ষকদের অন্তত বিষয়ভিত্তিক এক ঘণ্টার অনলাইন প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়।
নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, শিখনপ্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন আসছে। বদলে যাবে মূল্যায়নের ধরনও। কিন্তু যারা নতুনভাবে শেখাবেন, মূল্যায়ন করবেন, সেই শিক্ষকদের এমন ‘হেলাফেলা’র প্রশিক্ষণ দিয়ে তা বাস্তবায়ন কতটা ফলপ্রসূ হবে, সেই প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া না হলে নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার মান পরিবর্তনের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।