বরিশাল ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
বৃহস্পতিবারও বরিশালে এক কেজি বি পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। হঠাৎ গতকাল বাজার অস্থির হয়ে উঠে। খুচরা বাজারে একলাফে পিয়াজের দাম কেজি প্রতি ৫০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হতে শুরু করেছে। পেয়াজ রফতারিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার সংবাদ পৌছানো মাত্র পেয়াজের দাম বিদ্যুতের গতিতে বাড়ছে।
ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে দেশটি। দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএফটি) এক প্রজ্ঞাপনে এই ঘোষণার কথা বলা হয়েছে। পেঁয়াজের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগে এ ঘোষণা দিয়েছে ভারত।
এর আগে, রপ্তানি কমাতে ও চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়াতে গত ২৮ অক্টোবর পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য প্রতি টন ৮০০ ডলার নির্ধারণ করেছিল দেশটি।
পেয়াজ রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার সংবাদটি মিডিয়াতে প্রচারের সাথে সাথে বরিশালে বাড়তে থাকে পিয়াজের দাম। বেলা ১১টার দিকে ১২০ টাকা, দুপুরে ১৪০ পাকা, বিকালে খুচরা বাজোরে ১৫০ টাকা দরে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। পুরাতন বাজার, নতুন বাজার, নাজিরেরপুলসহ নগরীর বিভিন্ন প্রান্তের খুচরা দোকানগুলোতে যে যেরকম পাড়ছে পিয়াজ ইচ্ছেমত দামে বিক্রি করছে।
পিয়াজের আড়তে দেখা গেছে, বস্তায় বস্তায় সাজানো পিয়াজ রয়েছে। সেখানে পাইকারী ১৩০ টাকা দরে পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, ভারত থেকে পিয়াজ না এলে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে পিয়াজের পাইকারী মূল্য ২০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।