বরিশাল ৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচ জিতেই সুপার এইটে উঠে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে ইংল্যান্ডকে অপেক্ষা করতে হয়েছে একেবারে শেষ পর্যন্ত, তাকিয়ে থাকতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার দিকে। সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকেই গুঁড়িয়ে সুপার এইট শুরু করে অন্যদের যেন একটা বার্তাও দিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। ফিল সল্টের ৪৭ বলে ৮৭ রানের সঙ্গে জনি বেয়ারস্টোর ২৬ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ১৮১ রানের লক্ষ্য ইংল্যান্ড পেরিয়ে গেছে ৮ উইকেট ও ১৫ বল বাকি রেখেই।
রান তাড়ায় জস বাটলারের সঙ্গে সল্টের উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ারপ্লেতে ৫৮ রানসহ ওঠে মোট ৬৭ রান
পাওয়ারপ্লেতে মূল হুমকি বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেনকে নিরাপদে পার করেন দুজন। শেষ পর্যন্ত সে জুটি ভাঙে অফ স্পিনার রোস্টন চেজের বলে বাটলার সামনে এসে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লু হলে। ডানহাতিদের বিপক্ষেও অফ স্পিনার চেজ দারুণ করেছেন। তবে উইকেট দরকার ছিল তাদের, সেটির দেখাই খুব একটা পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাঁহাতি স্পিনার গুড়াকেশ মোতি ও মাঠের বাতাসকে সামনে রেখে বাঁহাতি মঈন আলীকে তিনে পাঠায় ইংল্যান্ড। আন্দ্রে রাসেলের শর্ট বলে মিডউইকেটে ধরা পড়া মঈন বেশি দূর এগোতে পারেননি। মাঝে চেজ চাপ তৈরি করলেও এরপর আর উইকেট হারায়নি ইংল্যান্ড। গত ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে টানা দুটি সেঞ্চুরি পাওয়া সল্ট ফিফটি পূর্ণ করেন ৩৮ বলে।
বেয়ারস্টো ছিলেন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক, এমন রানতাড়ায় যেটি প্রত্যাশিতও। ১৫তম ওভারে নিজের শেষটি করতে আসা আকিলের ওপর চড়াও হন তিনি, ওই ওভারে আসে ১৬ রান। সল্ট এরপর সময় নেননি একেবারেই। রোমারিও শেফার্ডের করা ১৬তম ওভারে সল্টের স্কোরিং শটের ক্রম ছিল এমন—চার, ছয়, চার, ছয়, ছয়, চার। ৩০ রানের ওই ওভারটিই বিশ্বকাপে কোনো ক্যারিবীয় বোলারের সবচেয়ে খরুচে ওভার। সল্ট ও বেয়ারস্টোর ৪৪ বলে ৯৭ রানের জুটি অবিচ্ছিন্ন থেকেই নিশ্চিত করে জয়।