বরিশাল ৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
বিসিবিকে আরেকটু অপেক্ষায় রাখলেন তামিম ইকবাল। অপেক্ষা আরও দুই-তিন দিনের।
আজ সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে নির্বাচক কমিটির সঙ্গে দুই দফা আলোচনার পর প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার ব্যাপারে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানাবেন তামিম। সে জন্য দুই-একদিন সময় চেয়েছেন।
আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ১৫ জনের দল আইসিসিতে পাঠাতে হবে বিসিবিকে। নির্বাচকেরা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে তামিমকে চাইলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছিল তামিম আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন না। সম্প্রতি বিপিএলের দল চিটাগং কিংসের শুভেচ্ছা দূত শহীদ আফ্রিদির ইউটিউব চ্যানেলে আসা এক ভিডিওতেও তামিমকে এ রকম কথা বলতে শোনা গেছে।
মূলত এসব কারণেই চূড়ান্ত দল নির্বাচনের আগে তামিমের মতামত জানতে চেয়েছে নির্বাচক কমিটি। আজ প্রথম দফা আলোচনায়ও তামিম নির্বাচকদের জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি আর আন্তর্জাতিক খেলবেন না। নিজেদের মধ্যে এক দফা আলোচনা করে পরে নির্বাচকেরা আবারও কথা বলেন তামিমের সঙ্গে। এই আলোচনায় তামিম শেষ পর্যন্ত কিছুটা ইতিবাচক হয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কিছুটা সময় চেয়ে নেন।
তামিমের সঙ্গে আলোচনায় প্রধান নির্বাচক ছাড়াও ছিলেন দুই নির্বাচক আবদুর রাজ্জাক ও হান্নান সরকার। এ উপলক্ষে আজ সকালেই সিলেটে আসেন প্রধান নির্বাচক।
গ্র্যান্ড সিলেটের লবিতে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে গাজী আশরাফ হোসেন বলেন, ‘আলোচনার সঙ্গে সঙ্গে ফল আসে না। খেলোয়াড়দের ফেরত আসার ক্ষেত্রে বন্ধুবান্ধব, পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে আলোচনার বিষয় থাকতে পারে। আলোচনার বিষয়টা আমাদের মধ্যেই থাক। সরাসরি উত্তর দেব না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নির্বাচকেরা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানতে চেয়েছি প্রক্রিয়ার জন্য তিনি অ্যাভেইলেব আছেন কি না। উত্তর পুরোপুরি পাইনি। আশা করি এক দুই দিনের মধ্যে সবটা পরিষ্কার হব।’
সূত্র জানিয়েছে, অধিনায়ক নাজমুল হোসেনসহ দলের আরও দুই-এক জন ক্রিকেটারও তামিমকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলতে অনুরোধ করেছেন।
সাকিব আল হাসানকে দলে রাখা না রাখার ব্যাপারে বোর্ডের কোনো নির্দেশনা পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘সাকিবের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আসেনি। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি এটা একটু শকিং।’
জানা গেছে, বার্মিংহামে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষায় উতরাতে না পারার পর গত ২১ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ে দেওয়া পরীক্ষায়ও সাকিবের অ্যাকশন বৈধতার ছাড়পত্র পায়নি। এরই মধ্যে চেন্নাইয়ে আরেক দফা বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি। সেটির ফলাফল এখনো আসেনি।