বরিশাল ৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
স্টাফ রিপোর্টার ॥ গত শনিবার রাত ১২ টার দিকে নিখোঁজ হন ছাত্রদলকর্মী রাব্বি। নিখোঁজের ৪ দিন পর রাব্বি খানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার পা বাঁধা, হাত ভাঙা এবং দুই চোখ উপড়ানো ছিল। বুধবার সকালে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় তার গ্রামের বাড়ি থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে রহমতপুর-মোহনগঞ্জ সড়কে একটি পরিত্যক্ত গোডাউনের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। এসময় পা বাঁধা, হাত ভাঙা এবং দু’চোখ উপড়ানো অবস্থায় তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণের পরে হত্যা করা হয়েছে।
রাব্বি খান (১৯) বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর গ্রামের বাচ্চু খানের ছেলে এবং বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির রহমানের ছোট ভাই। রাব্বি নিজেও ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। শনিবার রাতে তিনি নিখোঁজ হওয়ার পরদিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিল তার পরিবার। বুধবার সকালে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণের পরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। রাব্বি খান (১৯) বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর গ্রামের বাচ্চু খানের ছেলে এবং বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির রহমানের ছোটভাই। রাব্বি নিজেও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সবুজ আকন গ্রুপের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। শনিবার রাতে তিনি নিখোঁজ হওয়ার একদিন পরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিল তার পরিবার। বুধবার সকালে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ।
নিহতের বড়ভাই বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির রহমান জানান, রাজনৈতিক কারণে স্থানীয় একটি গ্রুপের সাথে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই শনিবার রাতে রাব্বিকে ফোন করে ডেকে নিয়ে অপহরণ করা হয়। এরপরে বহু জায়গায় খুঁজেও তার আর হদিস পাওয়া যায়নি। ৩ দিন অজ্ঞাত জায়গায় আটকে নির্মম নির্যাতন করার পরে তাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির শিকদার বলেন, নিহত রাব্বির পা বাঁধা, হাত ভাঙা এবং দুই চোখ উপড়ানো ছিল। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পূর্ব বিরোধের জেরে হত্যার পর মরদেহ মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় রহমতপুর-মোহনগঞ্জ সড়কে একটি পরিত্যক্ত গোডাউনের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।