উপকূলে তরমুজ চাষীদের হাহাকার

  • আপডেট টাইম : মার্চ ২৭ ২০২০, ১৯:০৯
  • 831 বার পঠিত
  • আপডেট টাইম : মার্চ ২৭ ২০২০, ১৯:০৯
  • 831 বার পঠিত
উপকূলে তরমুজ চাষীদের হাহাকার

সারাদেশের ন্যায় করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে পটুয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার তরমুজ চাষীরাও রক্ষা পায়নি। বর্তমানে পটুয়াখালীর উপকূলে ২২ হাজার হেক্টর জমি জুরে রয়েছে রসালো ফল ‘তরমুজ’। করোনা দুর্যোগের কারণে যথা সময়ে এ ফল কাঁটতে পারছেননা চাষীরা। যার ফলে ক্ষেতেই পঁচে নষ্ট হচ্ছে হাজারো চাষীর স্বপ্ন। দিশেহারা হয়ে পরেছে কৃষি নির্ভর এই অঞ্চলের তরমুজ চাষীরা। ধার দেনায় জর্জরিত কৃষক পরিবারগুলোতে চলছে শুধু হাহাকার।

সরেজমিনে দেখাগেছে, কিছু চাষী আংশিক জমির তরমুজ আগাম বিক্রি করছে। অনেকেই আবার কিছুই বিক্রি করতে পারেনি।সবেমাত্র ফল কাঁটার উপযোগী হয়েছে। এখন বাজারজাত করার সময়। কিন্তু বাজারজাত করতে না পারায় অনেকের তরমুজগুলো পঁচে উঠেছে। আবার অনেক তরমুজ বেশি পেকে যাওয়ায় ফুটে যাচ্ছে। উপরন্ত লঞ্চ ও ট্রাক চলাচল না করায় ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে তরমুজ পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে মানুষ ঘরমুখি হওয়ায় স্থানীয় বাজার গুলোতেও তরমুজের করদর নেই। সংশ্লিষ্টদের ধারণা এভাবে চলতে থাকলে পটুয়াখালী জেলায় অন্তত ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হবে তরমুজ চাষীদের।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান মতে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করতে ১০০ কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা। এবছর লাভের প্রত্যাশা ছিল ২৫০ কোটি টাকারও অধিক। এ পর্যন্ত ৫% তরমুজ বিক্রি হয়েছে, বাকি তরমুজ ক্ষেতে রয়েছে। যদি এক মাসের অধিক এভাবে থাকে তাহলে শতকরা ৮০ ভাগ তরমুজ নষ্ট হবে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার কাউখালী চরের তরমুজ চাষী ইব্রাহিম হাওলাদার জানান, তিনি এবছর ৩ কানি জমিতে তরমুজ দিয়েছেন। তাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। সে এখনো পর্যন্ত কোন তরমুজ বিক্রি করতে পারেননি। তার ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি উপযোগী হয়েছে। করোনার কারণে তরমুজ চালান করতে পারছেননা। একই এলাকার তরমুজ চাষী আলী আজগর চৌকিদার জানান, সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যায় করে সে এবছর ২ কানি জমিতে তরমুজ দিয়েছেন। এখনো পর্যন্ত তরমুজ বিক্রি করতে পারেনি। আগাম যে তরমুজ হয়েছিল, সেগুলো বৃষ্টির কারণে নষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল। এখন ক্ষেতে বিক্রি উপযোগী ৫০০ তরমুজ রয়েছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মনিরুল ইসলাম জানান, তরমুজ পেকে গেলেই নষ্ট হয়ে যায়না। কিছু দিন সংরক্ষণ করা যায়। কাটার পারেও ৭/৮ দিন রাখা যায়। এবং গাছে নিয়মিত পানি দিয়ে রাখলে একটু দেরীতে কাটলেও সমস্যা হয়না।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
মে‌হে‌ন্দিগ‌ঞ্জে বজ্রপাতে দুই শিক্ষা প্রতিজনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জ্বালানি তসংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেদেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বদাপুটে জয়ে সমতায় বাংলাদেশগ্রেপ্তার মিলটনের কার্যালয় ভাংচুর, পরিস্থিতসাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাট২২০ টাকা বাড়ল এলপি গ্যাসের দামহরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজে হামলাপেট্রল-অকটেন-ডিজেলের দাম বাড়লহরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজে হামলা আইআরজিসিরনারী আসন সংরক্ষণ বিল পাস করাতে পারল না মোদি সরবাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় শিক্ষার্থএইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাইবিক্ষোভের মুখে নগরীর আলোচিত মিল্টন ফের গ্রেপ

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/thebarisal/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493