বরিশাল ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে মহর্রম, ১৪৪৮ হিজরি
বরিশালে মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতলের লিফটের নীচে এক চিকিৎসকের লাশ পওয়া গেছে। নিহত চিকিৎসকের নাম ডাঃ এম এ আজাদ সজল। তিনি শেবাচিম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান। ডাক্তার আজাদের বাড়ি স্বরূপকাঠি, তবে থাকনে ঢাকার কেরানীগঞ্জে পরিবার নিয়ে থাকেন।, এক ছেলে এক মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছেন। এ ক্লিনিকে সে প্রাইভেট প্রাকটিস করতেন। হাসপাতালের কর্মচারীদের ভাষ্য গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সে তার চেম্বারে আসেন। ইফতারীর ঠিক আগ মুহুর্ত থেকে তাকে আর দেখা যায়নি।

ডাঃ সজলের মামা মনির হোসেন জানান,রাত থেকে তার স্ত্রী তার মোবাইলে ফোন দিয়ে পাচ্ছিলেন না। মোবাইলে রিং বাজছিল। কিন্তু কেউ রিসিভ বরছিল না। তিনি বরিশালে মনির হোসেনকে জানান হাসপাতালে গিয়ে সংবাদ নিতে। ভারেই মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতলে চলে আসেন তিনি। এসে দেখেন চেম্বার বন্ধ। এ সময় হাসপতাল কতৃপক্ষও চলে আসেন। সবাই মিলে খজুতে থাকেন ডাঃ সজলকে। এরই মধ্যে এক কর্মচারী হতদন্ত হয়ে ছুটে আসেন। তিনি জানান ডাঃ সজলের লাষ লিফটের নীচে পড়ে আছে। সংবাদ দেয়া হয় পুলিশকে। ছুটে আসেন পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা . ডিবি ও পিবিআই এর সদস্যরা। দুপুর একটা নাগাদ অনেক চেষ্টার পর লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের ডান পাটা ভাঙ্গা ছিল। এ ছাড়া দেহে প্রাথমিকভাবে আর কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তিনি লিফটের নীচের গর্তে কিভাবে পড়লেন।
শূণ্য দরজাও বা কিভাবে খুলল? পুলিশের উপ কমিশনার দক্ষিণ মোক্তার হোসেন জানান ময়না তদন্তের পর মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
ডাঃ সজলের সম্পর্কে হাসপাতালের সবাই ভাল ধারণা দিয়েছেন। অত্যন্ত মিষ্টভাসি ও সজ্জন চিলেন তিনি। তার আকস্মিক মৃত্যুতে হাসপাতাল ও তার সহকর্মীদেও মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।