এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার এলাকা সুগন্ধা নদী গর্ভে - The Barisal

এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার এলাকা সুগন্ধা নদী গর্ভে

  • আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ১৭ ২০২০, ০৯:৫০
  • 840 বার পঠিত
এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার এলাকা সুগন্ধা নদী গর্ভে
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ঝালকাঠি ॥
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার উত্তমাবাদ এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে সুগন্ধা নদীর আকস্মি ভাঙনে এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার বিলিন হয়ে গেছে। মুহূর্তেই নদীতে তলিয়ে গেছে তিনটি বসতঘর ও একটি ইটভাটার দুই লাখ ইট। এতে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ৯ টার দিকে সুগন্ধা নদী দিয়ে একটি কার্গো যাওয়ার সময় ডেউয়ে উত্তমাবাদ এলাকার রিয়াজ ব্রিকসের একাংশে ফাটল দেখা দেয়। মুহূর্তের এক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো এক কিলোমিটার এলাকা ভেঙে নদীতে বিলিন হয়ে যায়। এতে ওই ইটভাটার ২ লাখ ইট পানিতে তলিয়ে যায়, ভেঙে যায় একটি মেশিন ঘর। এছাড়াও পাশের তিনটি বসতঘর মালামালসহ নদীতে বিলিন হয়ে যায়। সম্প্রতি বন্যার পানি কমের যাওয়ার পর থেকে সুগন্ধা নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। গত এক সপ্তাহে নলছিটি শহরের মল্লিকপুর, পুরান বাজার সংলগ্ন এলাকা, খোজাখালী, তিমিরকাঠি, দপদপিয়া, ষাইটপাকিয়া এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা ও ফসলি জমি ভেঙে নদীতে তলিয়ে গেছে।
রিয়াজ ব্রিকসের ম্যানেজার মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, সকালে শ্রমিকরা ভাটায় কাজ করছিল। নদী দিয়ে একটি কার্গো যাওয়ায় ডেউ আসে। এতে বিকট শব্দে ভাটল লাগে ভাটার বড় একটি অংশে। এক ঘণ্টার মধ্যে দুই লাখ ইট ও একটি মেশিন ঘর ভেঙে নদীতে তলিয়ে যায়। আশেপাশে আরো তিনটি বসতঘর নদী গর্ভে চলে যায়। ভাটার শ্রমিকরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে প্রাণে রক্ষা পায়। দুই লাখ ইট ও একটি মেশিন ঘর নদীতে চলে যাওয়ায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
উত্তমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা সোহেল তালুকদার বলেন, সকাল ৯টার দিকে আকস্মি নদী ভাঙনে বিলিন হয়ে গেছে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা। আগের দিন এখানে স্থানীয় শিশুরা খেলাধুলা করেছিল। আজ তা নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। প্রতিবছরই এখানে এক দফায় নদী ভাঙে। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।
ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নসির উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আমাদের ইউনিয়নের মধ্যে উত্তমাবাদ এলাকাটি ঝুঁকিপূর্ণ। নদীতে প্রতিবছরই ফসলের জমি, বসতঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলেও আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এলাকার মানুষ নদী ভাঙনের নিঃশ্ব হয়ে যাচ্ছে। ভয়ে রাতে ঘুম আসে না তাদের।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিষয়টি শুনেছি। সেখানে আমাদের অফিসের লোকজন গিয়ে দেখে এসেছে। নদী ভাঙন রোধে আমরা বেশ কয়েকটি প্রকল্প করেছি। গুরুত্ব অনুযায়ী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

ফেসবুক কর্নার

শিরোনাম
ভারতে বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপে বিকল্প দল নিরাপরাধ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হয়রানী করা বরিশাল-৫ আসন আমার পিতার জন্মস্থান এ আসন কারো দসবুজ মুন্সির জানাযায় মজিবর রহমান সরোয়ারকৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ঢাকা-বরিশাল মহাবর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আরও ১-২ বছর থাকবে : আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন চার শিক্ষকপ্রজ্ঞাপন প্রত্যাখান, আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৫% বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি করে তুরস্ক থে‌কে অত্যাধুনিক দূরপাল্লার আকাশ প্রপুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ অবরোধ শিক্ষকদএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের লং মার্চে পু‌লি‌শি বাধভাঙলো মাউশি, হচ্ছে পৃথক দুই অধিদপ্তরআন্দোলনরত শিক্ষকদের হটাতে সাউন্ড গ্রেনেড নিতারেক রহমান সুস্থ আছেন