বরিশাল ৩১শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
ফের মুখ পুড়ল মোদি সরকারের। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় গোটা দেশ জ্বলছে। এই পরিস্থিতেতে ফের ভারত সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের আরেক মন্ত্রী। শনিবারই সফর বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশের উপ বিদেশমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। চলতি সপ্তাহেই দিল্লি আসার কথা ছিল আলমের। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি আলোচনা সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল আলমের। গত ৩০ দিনে এই নিয়ে বাংলাদেশের তিনজন মন্ত্রী ভারত সফর বাতিল করলেন। যার মূল কারণই হল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে গোটা ভারত জুড়ে বিক্ষোভ। গত মাসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও বিদেশমন্ত্রী ভারত সফর বাতিল করেছিলেন। এমনকি তিস্তার জলবন্টন নিয়ে ভারত–বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ভেস্তে গিয়েছিল নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিক্ষোভের কারণেই।
এনআরসি ও সিএএ নিয়ে বিক্ষোভ বেড়েই চলেছে। তার উপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অভিযোগ তুলেছিলেন বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। তারপর অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়ে, বাংলাদেশের পূর্বতন সরকারের মিলিটারি রাজ নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন শাহ।
গত মাসে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সফর বাতিলের পাশাপাশি ভারতকে সতর্ক করেছিলেন। ঠিক তার কিছুদিন পরেই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান মেঘালয় সফর বাতিল করেন। বাংলাদেশের মন্ত্রীদের পরপর ভারত সফর বাতিল প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।